রুজিরোজগারের জন্য স্যাকলিং - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 21 September 2019

রুজিরোজগারের জন্য স্যাকলিং




দেবশ্রী মজুমদারঃ    রুজি রোজগারের জন্য শক্ত দড়িতে হাঁটা মনে করিয়ে দেয় ওয়াকিং অন এ্যা টাইট রোপ, আসলে কত কঠিন!  স্যাকলিং এখন লোমহর্ষক প্রমোদ। কিন্তু একটি পাঁচ বছরের মেয়ে যখন জীবন বাজি রেখে দড়ির উপর লাফায়, তখন বোঝা যায় জীবন কোথায় শুরু হয়!   সুদূর ছত্রিশ গড়ের কোপরা গ্রামে বাড়ি লছমি নট তাঁর ছোট্ট মেয়ে পিয়ালী নটের।



স্থানীয় ভাষা ওড়িয়া। তাই কথার মধ্যে ওড়িয়া টান যথেষ্ট। মাস ছয়েক আগে বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন লছমি নট। চলছে ভোজনং যত্রতত্র। শয়নং হট্ট মন্দিরে। সদ্য মুর্শিদাবাদ সেরে বীরভূমে এসেছেন লছমি নট। অভাবের কারণে মেয়ে পিয়ালীকে পড়াতে পারেন নি। কিছু জমি জায়গা আছে, তাতে সংসার চলে না। তাই পেটের তাগিদে বেরিয়ে পড়া।


 ওড়িয়া টানে হিন্দি গানের তালে তালে দড়ির উপর কখনও খালি পায়ে আবার কখনও দড়ির উপর জুতো পায়ে দড়বাজিকরের ওস্তাদি খেলা দেখাতে ব্যস্ত পিয়ালী। রামপুরহাটের বাস স্ট্যান্ড মোড়ে এক বেসরকারি ব্যাংকের সামনে চলছে এই রোমাঞ্চকর খেলা। 



 মাইকে ঘোষণা চলছে, পেটে লাথ না মেরে চলে যাবেন না। বাচ্চাকে কিছু দিয়ে যান! পথচলতি মানুষের চোখে মুখে বিষ্ময়! দড়ির উপর হাঁটলেও আড়চোখে পিয়ালীর সন্ধানী দৃষ্টি চুঁইয়ে পড়ছে নিচে পাতা কাপড়ের উপর। কে জানে কত টাকা জমা পড়লো ! তার পর তো দুপুরের খাবার!!



পি/ব 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad