দেবশ্রী মজুমদার: দিনে দিনে দিন চলিয়া যায়, ও মোমিন ভাইরে! এভাবেই মুর্শিয়া গানে মেতে ওঠে শোকের মহরম। পাইকর -২ ব্লকের ভীমপুর, কলহপুর, কনকপুর, বসন্তপুর, হরিশপুর গ্রাম গুলিতেই কান পাতলে এতদিন এই সুর ভেসে উঠত। হাত তালি দিয়ে সুর করে সমবেত গান এই মুর্শিয়া। জানা গেছে, আরবি মাসের প্রথম মাস হল মহরম মাস।
এই ইউমে আশুরা দিবসে শোকের মহরম পালিত জেলা জুড়ে। এই বিশেষ দিনে ইসলামের ইতিহাসে বড় বড় সংঘটিত হয়েছে যার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য ঘটনা কারবালা প্রান্তরে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)র দৌহিত্র ইমাম হোসেন শহিদ হন। এই দিনটিকে উদ্দেশ্য করে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা নমায ও দুইটি রোযা রাখেন ও দান খয়রাত করে থাকেন।
এই উপলক্ষে মাড়্গ্রামে সুন্দর ও সুষ্ঠ পরিবেশে মহরম পালিত হয়। একইভাবে, রামপুরহাট, মুরারই, নলহাটি, বোলপুর, সিউড়ি সর্বত্র শান্তি ও সুষ্ঠ পরিবেশে এই দিনটি মর্যাদার সাথে পালিত হয়। পাইকরের লম্বাপাড়া, আমডোল, সিধরি, ভীমপুর, কলহপুর, কনকপুর, বসন্তপুর, হরিশপুরের তাজিয়া, লাঠিখেলা ও মুর্শিয়া গানে মেতে ওঠে ধর্মপ্রাণ মানুষ। মঙ্গলবার সন্ধ্যে পাঁচটা থেকে শুরু হয়ে গোটা রাত ও বুধবার গোটাদান চলবে।
মুহারমের আগেই ভীমপুর, কলহপুর, কনকপুর, বসন্তপুর, হরিশপুরে মুর্শিয়াগানের মহরা চলে বেশ কিছুদিন ধরেই। কান পাতলেই শোনা যেত—“ দিনে দিনে দিন চলিয়া যায়, ও মোমিন ভাইরে! । সবুজ পোশাক পড়ে তাঁরা মুর্শিয়া গানের মধ্যে দিয়ে এই পবিত্র দিনটিকে স্মরণ করে থাকেন। এই মুর্শিয়া গানের আকর্ষণ মানুষের কাছে খুব।
পি/ব
No comments:
Post a Comment