দেবশ্রী মজুমদারঃ ফের পঞ্চায়েতের ছায়া স্কুল পরিচালন সমিতির নির্বাচনে। পুলিশের সামনেই বাধা দেওয়া হল বাম কংগ্রেস গণতান্ত্রিক জোটের প্রার্থীদের। ফলে এতরফা ভাবে মনোনয়ন জমা দিয়ে জয়ী হল তৃণমূল। গত নির্বাচনে মারধর করা হলেও এবার শাসক দলের বাধার প্রাচীর ভাঙার চেষ্টা না করায় বড় কোন অশান্তি হয়নি।
বীরভূমের মাড়গ্রাম হাইস্কুলের পরিচালন সমিতির নির্বাচনের জন্য শনিবার ছিল মনোনয়নের ফর্ম তোলা এবং জমা দেওয়ার দিন। সেই মতো বাম – কংগ্রেস গণতান্ত্রিক জোট গড়ে ছয়টি আসনের জন্য আটজন প্রার্থী বাছাই করে। মাড়গ্রাম হাতিবাঁধা মোড়ের কাছে থেকে মিছিল করে তারা মনোনয়ন পত্র তুলে জমা দিতে স্কুলের দিকে রওনা দেন। মনোনয়নের জন্য এদিন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।
কিন্তু জোটের প্রার্থীদের জখন আটকানো হয় তখন কোন পুলিশ কর্মীকে ধারে কাছে দেখা যায়নি। জোটের নেতৃত্বে থাকা হাঁসন কেন্দ্রের কংগ্রেস বিধায়ক মিল্টন রশিদ বলেন, “প্রশান্ত কিশোরকে দিয়ে দলের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার জন্য তৃণমূল কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। কিন্তু তাতেও দিদির ভাইদের জনগনের প্রতি আস্থা ফেরাতে পারেনি। তাই তো তারা ভোটে যেতে ভয় পাচ্ছে।
মুখে কাপড় বেঁধে স্কুলে ঢোকার ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে আমাদের আটকে দেওয়া হল। আমরা রাস্তায় বসে বিরোধিতা করলাম। পুলিশের কাছে আবেদন করেও কোন সাহায্য পাওয়া যায়নি। তাই দিদিকে বলছি আপনাদের যাবার সময় এসে গিয়েছে। পঞ্চায়েতের বদলা মানুষ লোকসভায় নিয়েছে। আর স্কুল পরিচালন সমিতি নির্বাচনের বদলা মানুষ বিধানসভায় সুদে আসলে পরিশোধ করবে। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব ভট্টাচার্য বলেন, “মাড়্গ্রামে এখন তৃণমূল ছাড়া কোন দল নেই।
কংগ্রেস প্রার্থী খুঁজে পায়নি। তাই দলের দু-একজন কর্মীর কাছে মুখ রক্ষা করতে এসব নাটক করছে কংগ্রেস”। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহম্মদ মনসুর আলম বলেন, “স্কুলের মধ্যে কোন অশান্তি হয়নি। বাইরে কি হয়েছে বলতে পারব না। এদিন ছয়জনের মনোনয়ন জমা হয়েছে। আর কেউ মনোনয়ন পত্র তুলতে বা জমা দিতে আসেননি”। এনিয়ে মুখ খুলতে চায়নি পুলিশ।
পি/ব
No comments:
Post a Comment