সুদেষ্ণা গোস্বামী: উত্তরাখণ্ডে চোপতায় গিয়েছিলাম ,তখন সাদা বরফের মাঝে মাঝে হয়েছে কমলা রংয়ের পাহাড়ি ফুল। কি সুন্দর সেই দৃশ্য সাদা আর কমলার রং নিয়ে কেন খেলা খেলছে যেন পাহাড়গুলি। মনে হচ্ছিল এ কোন রুপকথার দেশে চলে এসেছি আমি।
এখানে ফোনের টাওয়ার কাজ করে না । পুরোপুরি নেট বিচ্ছিন্ন একটা দুনিয়া। চারিদিকে সাদার স্নিগ্ধতা পবিত্র করে দিয়েছে জায়গাটাকে। পাহাড়ি রাস্তায় ঝুপ করে নেমে আসে সন্ধ্যে পিছু পিছু আসছিল একটা কুকুর তাকে দেখে মনে হবে সে কুকুর না একটা কালো ভাল্লুক। এখানে থাকার জায়গা বলতে আছে কাঠের ছোট ছোট বাংলো। রাতে সেখানেই নিয়েছিলাম আস্তানা। এখানে সূর্যের আলোতে জ্বলে ওঠে রাত্তিরের আলো।
বিদ্যুতের লাইন ও পৌঁছায়নি চোপতায়। সেই বাড়ির ঢালু রাস্তা দিয়ে নিচে নেমে গেছে জঙ্গলের রাস্তা। সেখানে আছে ভাল্লুকের সাথে সাথে চিতাবাঘের ও ভয়। পুরো রাতের নিস্তব্ধতা যেন গ্রাস করেছে ঘুটঘুটে অন্ধকার। সকাল হতে দেখি দুটো দিক থেকে রামধনু উঠে পাহাড় ঘিরে ফেলেছে।
রাতের অন্ধকারের চাদর যেন ঢাকা দিয়ে দিয়েছিল এই রূপকে। সকাল হতেই জালনা দিয়ে তাকিয়ে দেখি পাহাড়ের দুদিক থেকে উঠেছে দুটি রামধনু।ওই রামধনুর রং যেন আরও উজ্জ্বল। মনে মনে সেই রামধনুর রং নিয়ে ফিরলাম বাড়ি। চপতার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অসাধারন বলা যেতে পারে মিনি সুইজারল্যান্ড এর মত।
পি/ব
No comments:
Post a Comment