প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক ; সরকারি নথিতে কোনও দেশের কাছে যতগুলি পারমাণবিক বোমা থাকার কথা উল্লেখ করা হয়, বাস্তবে দেখা যায়, তারচেয়ে বহুগুণ বেশিই বোমা মজুত রয়েছে। সে সব খবর গুপ্তচরদের মারফৎ পৌঁছে যায় শত্রু দেশগুলির কাছে। এই প্রতিবেদনে দেখে নেওয়া যাক, কোন কোন দেশের কাছে কয়টি পরমাণু বোমা সরকারিভাবে মজুত রয়েছে।
রাশিয়া:
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট সিপ্রি-র তথ্য অনুসারে রাশিয়ার কাছে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক বোমা রয়েছে৷ সে দেশে বোমার সংখ্যা সাড়ে সাত হাজারের বেশি৷
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই প্রথম পারমাণবিক বোমা বানিয়েছিল এবং একমাত্র দেশ যারা এটা যুদ্ধে ব্যবহারও করেছে৷ দেশটির এখন সাত হাজারের বেশি পারমাণবিক বোমা রয়েছে।
ফ্রান্স:
ফ্রান্সের কাছে নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড আছে তিনশো’র মতো৷ এগুলোর অধিকাংশই রয়েছে সাবমেরিনে৷ দেশটির অন্তত একটি সাবমেরিন সবসময় পারমাণবিক বোমা নিয়ে টহল দেয়৷
চিন:
অনুমান, আড়াইশো’র মতো পারমাণবিক বোমা আছে চিনের কাছেও৷ রাশিয়া বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় সংখ্যাটা কম হলেও দেশটি ধীরে ধীরে এই সংখ্যা বাড়াচ্ছে৷
ব্রিটেন:
দুইশো’র বেশি পারমাণবিক বোমা রয়েছে ব্রিটেনের কাছে৷ রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এই দেশটি ১৯৫২ সালে প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়৷
ভারত:
ভারত প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা চালায় ১৯৭৪ সালে৷ দেশে এখন নব্বইটির বেশি পারমাণবিক বোমা রয়েছে৷ ভারত অবশ্য জানিয়ে রেখেছে, তারা আগে কোনও দেশকে আঘাত করবে না, আর যেসব দেশের পারমাণবিক বোমা নেই, সেসব দেশের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনা এ ধরনের বোমা ব্যবহার করবে না কোনওদিন৷
পাকিস্তান:
ইতিমধ্যে তিনবার প্রতিবেশি দেশ ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়েছে পাকিস্তান৷ তাদের কাছে শতাধিক পারমাণবিক বোমা থাকার দাবি করলেও আদতে সংখ্যাটা জানা নেই কারও৷
ইজরায়েল:
ইজরায়েল অবশ্য তাদের পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কে তেমন তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ করে না৷ দেশটিতে আশিটির মতো নিউক্লিয়ার ‘ওয়ারহেড’ আছে বলে ধারণা করা হয়৷
উত্তর কোরিয়া:
এখন পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার কাছে দশটিরও কম পারমাণবিক বোমা রয়েছে৷
পি/ব
No comments:
Post a Comment