হাড়োয়া ব্লকের গোপালপুরের ২ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূলের বুথ সভাপতি মুসিবর মোল্লার (৪৩) মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ালো। ঘটনায় অভিযোগের তীর উঠেছে স্থানীয় এক সিপিএম নেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা মুসিবর মোল্লার মৃতদেহ দেখতে পান স্থানীয় একটি পুকুরের পাশে। পরে হাড়োয়া থানার পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠায় ময়না তদন্তের জন্য। হানা যায়, মৃতদেহের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত দেখা গিয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন স্থানীয় তৃনমূল নেতা মুসিবর মোল্লা। আজ বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি মসজিদের সামনের পুকুর পাড় থেকে তার মৃতদেহ দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃত মুসিবর মোল্লার পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার সক্রিয় তৃনমূল কর্মী হিসাবে পরিচিত মুসিবরকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় সিপিএম নেতা সবেবরাত মোল্লা পরিকল্পিতভাবে খুন করে মুসিবরের দেহ লোপাটের চেষ্টা করছিলো। সবেবরাত মোল্লার বিরুদ্ধে এলাকাত দুস্কৃতীরাজের অভিযোগ রয়েছে বলেও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়।
সবেবরাতের নামে থানায় একাধিক দুস্কৃতী কর্মকান্ডের অভিযোগও রয়েছে বলে জানা যায়। এই ঘটনায় স্থানীয় তৃনমূল কংগ্রেস নেতা বুলবুল বলেন, মুসিবর এলাকার একনিষ্ঠ তৃনমূল কর্মী। সেই কারনেই তাকে টার্গেট করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এলাকার সিপিএমের দুস্কৃতী সবেবরাত বুধবার জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে। সে জেল থেকে ছাড়া পেয়েই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পরই এলাকা থেকে পলাতক সবেবরাত বলে জানা গিয়েছে। এদিন তৃনমূল সকালে তৃনমূল নেতা ম্যসিবর মোলাল্র দেহ উদ্ধারের পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment