যদি কারো অর্থনৈতিক সামর্থ্য থাকা সত্বেও তার স্ত্রী পুত্র কন্যা এবং পিতা মাতা কে ভরণপোষণ না করে অবহেলা করে ভরণ-পোষণে অসম্মতি প্রকাশ করে তার বিরুদ্ধে আদালতের আশ্রয় নেওয়া যায় ।এজন্য আবেদনে নিচের যে কোন একটি ভিত্তির উল্লেখ্ ও প্রমাণ করতে হবে ১যদি স্ত্রী নিজের ব্যয় ভার বহন করতে সমর্থ না হয় 2 যদি তার বৈধ বা অবৈধ শিশু সন্তান দের ব্যয় ভার বহনের সমর্থ না হয় ৩ যদি বৈধ বা অবৈধ সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া সত্ত্বেও শারীরিক বা মানসিক দিক থেকে স্বাভাবিক না হয় অথবা আহত বা ত্রুটিপূর্ন দেহের জন্য বাবা বা মা ব্যয় ভার বহনে সক্ষম না হয় এসব ক্ষেত্রে সামর্থ্য যুক্ত ব্যক্তির উপর ভরণপোষণের জন্য মাসিক সবকিছু মিলিয়ে পাঁচশত টাকা ভাতা দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
যেসব স্ত্রী স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে দ্বিতীয়বার বিবাহ করেন নি তারা এই আবেদন করতে পারেন দাবি করার পূর্বে তাদের বিয়ের সঠিক প্রমাণ দিতে হবে ভরণপোষণের জন্য আদালত প্রত্যেক দাবিদার কে পাঁচশত টাকা হিসেবে মাসিক ভাতার আদেশ দিতে পারেন হিন্দু আইনে স্ত্রী তার স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ এর নিমিত্ত খোরপোষ দাবি করতে পারবে স্বামীর কাছ থেকে স্বতন্ত্র থেকেও দাবি করতে পারে। কিন্তু যদি অন্য ধর্ম গ্রহণ করে বা চরিত্রহীন বলে প্রমাণিত হয় তাহলে দাবি করতে পারে না ।হিন্দু সাকসেশন অ্যাক্ট অনুসারে সন্তানদের সঙ্গে স্ত্রী ও স্বামীর সম্পত্তির অংশ পাবে যদি স্বামীর সম্পত্তি না থাকে এবং স্ত্রীর জীবিকা নির্বাহের কোন পথ না থাকে তবে সে স্বামীর বর্তমানে বয়স্ক ছেলে মেয়েদের কাছে দাবি করতে পারবে । সন্তানহীনা বিধবা তার সৎ ছেলের কাছেও ভরণপোষণের দাবি করতে পারে ।
পি/ব
No comments:
Post a Comment