ডেঙ্গু-জ্বরে শিক্ষকের মৃত্যু হাবড়াতে, নিকাশি ব্যাবস্থা নিয় প্রশ্ন এলাকাবাসীর। চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ পরিবারের।
ডেঙ্গু নামে শব্দটা আজ হাবড়া বাসীর আতঙ্কের কারন হয়ে গেছে। একের পর এক মৃত্যু এবং ডেঙ্গু-জ্বর আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
এবার ডেঙ্গুতে মৃত্যু হাবড়া শহরের ওপর প্রতিভা প্রেস এলাকার শুক্রবার মৃত্যু হলো প্রাইমারী স্কুল শিক্ষক ধিমান কান্তি মল্লিকের ৪১।
গত ২৩ তারিখ থেকে পরিবারের সবাই জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পরিবারের চারজন বারাসাতের একটি বেসরকারী নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন থাকে। ২৭ তারিখ তিনজন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসলেও শিক্ষক ধিমান কান্তি মল্লিকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে। কলকাতার একটি নার্সিং হোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে ফের অন্য একটি নার্সিং হোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই শুক্রবার দুপুর তিনটের সময় মৃত্যু হয় তার। পরিবার অভিযোগ তোলে চিকিৎসার গাফিলতির কারন কয়েক ঘন্টার ভেতর দেহ কি করে পঁচে গেল প্রশ্ন তুললেন তারা। পরিবারের অভিযোগ আগেই মারা গেছিল নার্সিং হোম কতৃপক্ষ তাদের কিছু বলেনি শুধুমাত্র বিল বাড়ানোর জন্যই এমন হল।
এলাকার প্রত্যেক বাড়িতে ডেঙ্গু-জ্বরে আক্রান্ত এক বাড়িতে দশ জন পর্যন্ত আছে অভিযোগ এলাকা বাসীর। সরকারী হাসপাতালের ওপর ভরসা হারিয়ে বেসরকারী জাগায় চিকিৎসা করাচ্ছে। এমনকি বাড়িতে ডাক্তার এনে চিকিৎসা চালাচ্ছে চলছে সেলাইন এমন ছবি ধরা পড়ল ক্যামেরায়।
এলাকাবাসী হাবড়া পৌরসভার ওপর ক্ষোভ উগরে দিল তাদের বক্তব্য পৌরসভার পক্ষ থেকে না জঙ্গল কাটে না মশা মারার ওষুধ ঠিক মত দেয় জার ফলে এলাকাবাসীর গলায় শোনা গেল একরাশ ক্ষোভ।
মৃত শিক্ষকের সাত বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে বাবাকে হারিয়ে সে আজ নিরুপায় মা সম্পা মন্ডলের আবেদন আগামী দিনে কি করবে বুঝতে পারছে না তাই সরকারের কাছে আবেদন সরকার জাতে তাদের পাশে থাকে নইলে অছিরে ভেসে যাবে পরিবার।

No comments:
Post a Comment