প্রেস কার্ড নিউজ ডেস্ক ; ব্লকবাস্টার হিট ‘কহো না পেয়ার হ্যায়’ ছবির মাধ্যমে জন্ম নেন এক তারকা। এই ছবিটি ১৯ বছর আগে রিলিজ হয়েছিল। দুই দশক ধরে একই উজ্জ্বলতায় আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন এই তারকা। বয়সের ঘড়িটাকে কীভাবে যেন অকেজো করে কোন এক অজানা সমুদ্রে ফেলে দিয়েছেন ৪৫ বছর বয়সী এই অভিনয়শিল্পী। এই দুই দশকে প্রতিদিন আগের চেয়ে আরও সুদর্শন হয়েছেন।
সম্প্রতি বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় এই তারকা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি এজেন্সি পরিচালিত জরিপে জনপ্রিয় ফুটবল তারকা ডেভিড বেকহ্যাম, ‘টোয়াইলাইট’ ছবির নায়ক রবার্ট প্যাটিনসন আর ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ ছবির নায়ক ক্রিস ইভানের মতো সুপুরুষদের পেছনে ফেলে ‘বিশ্বের সবচেয়ে হ্যান্ডসাম পুরুষ’ হয়েছেন। ঠিক ধরেছেন, তিনি আর কেউ নন, হৃতিক রোশন। অন্য বলিউড তারকাদের মতো তাঁর ঝুলিতেও আছে সফল আর ব্যর্থ ছবির সমাহার। ‘ফিজা’, ‘কাভি খুশি কাভি গম’, ‘কোয়ি মিল গ্যায়া’, ‘ধুম ২’, ‘যোধা আকবর’, ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ বা ‘কৃষ’ সিরিজের মতো বক্স অফিস সফল ছবি।
সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সুপার থার্টি’ও খুশি করেছে প্রযোজক ও সমালোচকদের। তবে হৃতিক রোশন সবচেয়ে বেশি সমাদৃত সঞ্জয় লীলা বানসালি পরিচালিত 'গুজারিশ' ছবিটির জন্য। যদিও এই ছবিটি প্রযোজকের মুখে হাসি ফোটাতে পুরোপুরি ব্যর্থ। হৃতিকের সফল ছবির তালিকা যেমন দীর্ঘ, ব্যর্থ ছবির তালিকাও একেবারে ছোট না, ‘না তুম জানো না হাম’, ‘কাইটস, মাহেঞ্জো দারো, কাবিল ইত্যাদি। যদিও এসব ছবি বক্স অফিসে অর্থ তুলে আনতে পারেনি। তবুও সমালোচকেরা বলেছেন, হৃতিক হৃদয় উজাড় করে অভিনয় করেছেন। আর ছবিগুলো ব্যবসা না করায় হৃতিকের নাকি কোনো আক্ষেপ নেই।
কারণ, এই ব্যর্থ ছবিগুলোই তাঁকে গড়েছে। আজ হৃতিক রোশন যা, তা নাকি এই ব্যর্থ ছবিগুলোরই সমষ্টি। ‘ই টাইমস’-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তার কারণ। হৃতিকের মতে, ‘আজকে আমি যখন পেছনে ফিরে তাকাই, আমার মনে হয়, আমি অনেক অনেক পথ পাড়ি দিয়ে আমি হয়েছি। আমার এই দীর্ঘ যাত্রায় সফলতা ছিল, ছিল ব্যর্থতা। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, প্রতিনিয়ত আমি আমার ব্যর্থতা থেকে কিছু না কিছু শিক্ষা নিয়েছি। আমি আজ যা, তা আমার ব্যর্থতার বদৌলতে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment