নায়িকার গালে ঢেলে যেমন গ্ল্যামার নায়ক এর পেশিরভাজে ধরা পড়ে পৌরুষ। বছরের পর বছর ধরে কেউ এই নায়িকার প্রেমে পড়ে তো অমুখ নায়ক এরভক্ত হয়ে ওঠে। এসব ধরে রাখতে কতই না করতে হয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের রোজ ভোরবেলা উঠে জিম বা সমুদ্রসৈকতে দৌড় ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখতে স্পা, রূপচর্চা। মরাল গ্রীবা বা সুন্দর চেহারা ধরে রাখতে বাদ দিতে হয় কত না প্রিয় খাবার।
প্রত্যেক দিনের অধ্যাবসায়ে তৈরি হয় এক এক জন স্টার। কিন্তু তারাই যখন একটা চরিত্রের জন্য জলাঞ্জলি দেয় এই গ্ল্যামার তখন তাদের কতটা কষ্ট করতে হয় সাধারন মানুষের ধুলোবালির জীবনে বাঁচতে? কখনো কখনো তো সুঠাম কাঠামো ভেঙে মেদ কমাতে হয় কখনো আবার রোদে পুড়ে নষ্ট করতে হয় মাখনরঙা তক।সুপার থার্টি ছবির জন্য হৃত্বিক রোশন বিহারী শিক্ষকের চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে বারানসির সরু গলিতে গাড়ি না ঢোকায় রোদে পুরে গিয়েছেন সেটে তাতে অবশ্য চরিত্রের জন্য লাভই হয়েছে জিম করা বডি যেহেতু এই চরিত্রের জন্য উপযুক্ত নয় শুধু ডায়েট করে চরিত্রের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন।
এর আগে কবির সিং ছবির জন্য শহীদ কাপুর ও অসৎ করেছেন।ছবিতে নেশাগ্রস্ত চরিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য দিনে টানা কুড়িবার ধূমপান করতেন শহীদ। এখানে বাস্তবে তিনি নেশা থেকে শতহস্ত দূরে। লাল কাপ্তান ছবিতে শ সেফ আলী খানের নাগা সাধুর লুকো সাধারণ নয়। অভিজাত ও নবাবের পক্ষে এ লোক ধরে রাখা খুব কঠিন।আবার বালা ছবিতে আয়ুষ্মান খুরানা কে দেখা যাবে অসময় টাক পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যার মোকাবিলা করতে।
এরপর দীপিকাপাদুকনে কে দেখা যাবে ছাতক ছবিতে এসিড অ্যাটাক সারভাইভার লক্ষী আগারওয়াল হতে। এক্ষেত্রে উনি মেকআপ এর সাহায্য নেবেন বেশি। ক্যারিয়ারের মধ্যগগণে মুখের এই পরিবর্তন মেনে নেওয়া কি সহজ? দীপিকা এই চরিত্রটির সাথে এতটাই একাত্ম হয়ে পড়েন শুটের শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন তিনি তাই নিজের খোলস ছেড়ে অন্য একজনের রক্তমাংস ঢুকে পড়া খুব সহজ কাজ নয়। কিন্তু দিনের পর দিন এক একটা মুভিতে নায়ক নায়িকার এই পরিবর্তনে সিনেমা গুলিকে সুপার ডুপার হিট এর পর্যায়ে নিয়ে যায়।
পি/ব
No comments:
Post a Comment