গ্রিকদের ভালবাসার দেবী আফ্রোদিতির যৌনাচারের যা অবস্থা তা অনুকরণ করলে আজকের পৃথিবী যৌনাচারে ভরে যাবে। যে ভালবাসার দেবীকে গ্রিকরা বলে আফ্রোদিতি ঠিক তাকেই রোমানরা বলে ভেনাস। আফ্রোদিতি নিজে স্বীকার করেছেন; প্যারিস, এ্যডোনিস আর এ্যানচিজেস এই তিনজন পুরুষ ছাড়া অন্য কোন পুরুষ আফ্রোদিতিকে সম্পূর্ণ নগ্ন দেখেনি। অর্থাৎ এই তিনজনতো তাকে সম্পূর্ণ নগ্ন দেখেছেনই, অন্য পুরুষরা তাহলে তাকে হয়তো আংশিক নগ্ন দেখেছেন। যৌন সঙ্গমের জন্যতো আর সম্পূর্ণ শরীর দেখার দরকার হয় না। সুতরাং যৌন বিকৃতির চর্চা না করলে সম্পূর্ণ শরীর দেখাতে পারাটাও অসম্ভব।
দেবী আফ্রোদিতির সাথে তার স্বামী হেফিস্টাস ওরফে ভলকানের সম্পর্ক কখনও ভাল ছিল না। থাকবে কি করে? দেবীর স্বভাব যদি হয় বহুচারিণী তাহলে স্বামীর সাথে সম্পর্ক ভাল থাকার কথা? তার স্বামী হেফিস্টাস বা ভলকান ছিলেন অগ্নির দেবতা। স্বামীর চেহারা ভাল ছিল না বলে আফ্রোদিতি কখনও তাকে নিজের বিছানায় ঘুমাতেই দেননি। অথচ নানাবিধ গোপন প্রণয়ে তিনি ছিলেন একেবারে আসক্ত। অবৈধ যৌন সম্পর্ক স্থাপনের জন্য আফ্রোদিতি ছিলেন অনন্যা। যেখানেই তিনি সুন্দর যুবক দেখতেন সেখানেই তিনি সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ছুটে যেতেন। দেবতা এরেসের সাথে আফ্রোদিতির ছিল দীর্ঘদিনের অনৈতিক যৌন সম্পর্ক।
অসংখ্য অনৈতিক যৌন সম্পর্ক থাকার কারণে আফ্রোদিতির সন্তানদের মধ্যে কার প্রকৃত জনক কে তা নির্ধারণ করা যায়নি। একদিন স্ত্রী আফ্রোদিতিকে অবৈধ সঙ্গমরত অবস্থায় জালে আটকে ফেলার ঘটনাও ঘটিয়েছিলেন তার স্বামী ভলকান।পৃথিবীর কোন্ নারী সবচেয়ে সুন্দরী তা নির্ণয়ের ভার পড়েছিল দেবতা প্যারিসের উপর। প্যারিস তিন জন নারী যথা, হেরা, এ্যাথেনা ও আফ্রোদিতির মধ্যে আফ্রোদিতিকেই বেঁছে নিয়েছিলেন। নিজেকে প্রথম করার নেশায় প্যারিসকে বাগে আনতে তার সামনে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়েছিলেন আফ্রোদিতি। দেবতা এ্যাডোসিন এত হ্যান্ডসাম ছিল যে আফ্রোদিতি তার জন্য সব সময়ে উতলা হয়ে থাকতেন।
বনে যখন এ্যাডোসিনের মৃত্যু হয় তখন তার ঠোঁটে আফ্রোদিতির ঠোঁট ছিল। ধর্মমতে, প্রতিবার অনৈতিক কর্ম শেষে আফ্রোদিতি এক ধরণের ধর্মীয় স্নান করতেন এবং তাতে তিনি পবিত্র হয়ে যেতেন। হাজার হলেও দেবী, পবিত্র হবার একটা লাইনতো থাকা দরকার। মানুষের ক্ষেত্রে তা হয় না। মানুষের ক্ষেত্রে বরং মাটিতে পুতে পাথর মেরে নৃশংসভাবে মেরে ফেলার বিধান করা হয়েছে। আরেক ধর্মমতে, বিধর্মীদের সাথে কোন সম্পর্ক রাখা যাবে না, তাদের হাতে খাওয়া যাবে না এবং স্বধর্ম গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রয়োজনে সমস্ত কিছুর সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাবার সুস্পষ্ট নির্দেষ রয়েছে। অথচ যৌনতা উপভোগের বেলায় ধর্ম শিথিল হয়ে গেছে।
বিধর্মীদের ছোঁয়া যাবে না, অথচ তাদের মেয়ে মানুষগুলিকে দখল করে তাদের সাথে যথেচ্ছ সেক্স করা যাবে। এর জন্যে বিয়ে করারও দরকার নেই, মেয়েগুলিকে যৌনদাসী হিসেবে আয়ত্তে রেখে দাসী-মালিকসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা সকলে একত্রে গ্রুপ সেক্সও করতে পারবে। এর জন্যে মেয়েটির পেটে যে বাচ্চা আসবে তার দায়-দায়িত্বও যৌনকার্য সম্পাদনকরা পুরুষদেরকে নিতে হবে না। ইচ্ছামতো যে কোন সময়ে বিক্রিও করতে পারবে, উপহার হিসেবে অন্যকে দিতে পারবে। বাড়িতে পুরুষ মানুষকে নিমন্ত্রণ দিয়ে তাদেরকে দিয়ে সেক্স করাতে পারবে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment