আধিনকু কােলর ইরাক , সিরিয়া, তুরস্ক, ইরান দেশগুলার অংশ নিয়ে গঠিত ইউফ্রেটিস এবং টাইগ্রীস নদীর অববািহকা অঞ্চল হোল প্রাচীন কালের মেসাপেটিময়া। খ্রিস্টজন্মের দুহাজার বছর আগ থেকে গড়ে ওঠে এই বিস্ময়কর সভ্যতা যার প্রাণকেন্দ্র ছিল ব্যাবিলন। ইরাকের রাজধানী বাগদাদের ৮৫ কিমি দক্ষিণে ইউফ্রেটিস নদির তীরে ছিল ব্যাবিলন। বর্তমানে ইরাকের ব্যাবিল প্রদেশের আল হিল্লা নগরি হোল পাচিন কালের ব্যাবিলন। ৬০৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে সেখানকার বিখ্যাত রাজা ছিল নেবুচাদনেজার-
সে সময়ে তৈরি সবথেকে উঁচু ব্যাবেল টাওয়ার যা ছিল ভগবান মাড্রুকের উদ্দেশ্যে নির্মিত মন্দির। বলা হতো এটি স্বর্গ অবধি গেছে। সেই সময়ের সপ্তাসচর্যের মধ্যে অন্যতম ব্যাবিলনের শুন্য উদ্যান। ব্যাবিলনের সম্রাট নেবুচাদনেজার-২ তার পত্নি আমিতিস্কে উপহার দিয়েছিলো এই শুন্য উদ্যান। আমিতিস মরুভুমি অঞ্চলে পতি গৃহে এসে যখন দেখেন যে তার পিতার রাজ্যের মতো সেই পাহাড় নেই, সেই সবুজ গাছপালা নেই তখন তিনি ভেঙ্গে পড়েন এবং সব সময় বিষণ্ণ থাকে শুরু করেন।
পত্নিকে খুশি করতে সেই পাহাড় আর গাছপালা গড়ে তুলতে তৈরি হোল রুক্ষ মরুভুমির মধ্যে শুন্য উদ্যান। নাম শুন্য উদ্যান হলেও এটি শুন্যস্থানে নয় বরং ব্যাল্কনিতে গড়ে তলা বাগান বলা যেতে পারে। পাথরের স্তম্ভের উপর তৈরি হয় পাথরের প্ল্যাটফর্ম। তার উপর দেওয়া হয় গ্লাসের একটি আস্তরন। যাতে জলে প্ল্যাটফর্মের ক্ষতি না হয়। তার উপর মাটি দিয়ে সেখানে লাগানো হয় গাছপালা। সেই বাগানে পশু পাখি ফিরিয়ে আনার জন্য তৈরি হয় পর্বতের পরিবেশ। সমতল মরুভুমির উপর তৈরি কৃত্রিম পাহাড় ছিল বিগ্যানের অভুতপুর্ব নিদর্শন। প্রতিদিন ৮২০০ গ্যালন জলের প্রয়যন পরত এই বাগানে যা আনা হতো ইউফ্রেটিস নদি থেকে।
কে
No comments:
Post a Comment