আস্থা ভোট নিয়ে হাই কোর্টে এখনও মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। এরইমধ্যে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরলেন বনগাঁ পুরসভার আরও চারজন কাউন্সিলর। বৃহস্পতিবার দলের কাউন্সিলরদের ‘ঘর ওয়াপসি’র কথা ঘোষণা করলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তাঁর অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে ওই কাউন্সিলরদের তৃণমূল ছাড়তে বাধ্য করেছিল বিজেপি। উল্লেখ্য, বনগাঁ পুরসভায় আস্থা ভোটের ঠিক আগে বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফিরেছিলেন একজন মহিলা কাউন্সিলর। পুরভোটে শাসকদলের টিকিটে নির্বাচিত হয়েছিল ২১ জন কাউন্সিলর।
আর সিপিএমের দখলে ছিল একটি আসন। কিন্তু লোকসভা ফলপ্রকাশের পরই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। দুর্নীতি ও স্বজনপোষণের অভিযোগে চেয়ারম্যান শংকর আঢ্যের বিরুদ্ধে দু’দফায় অনাস্থা আনেন ১৪ জন তৃণমূল কাউন্সিলর। অনাস্থা মামলা গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টে। বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রক্রিয়া শুরু নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু আস্থা ভোটকে কেন্দ্র করে অশান্তি হয় বনগাঁয়। তৃণমূল কংগ্রেস ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি।
সেই মামলা এখনও চলছে। তবে শুনানিতে পুলিশ ও প্রশাসনের ভুমিকায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন হাই কোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়। এমনকী, বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান শংকর আঢ্যকেও তিরস্কার করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার বনগাঁ পুরসভার আরও চারজন কাউন্সিলরের বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফেরার কথা ঘোষণা করলেন মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। শাসকদলে ফিরলেন বনগাঁ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দিলীপ মজুমদার, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অভিজিৎ কাপুরিয়া, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কার্তিক মণ্ডল ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিমাদ্রি মণ্ডল।
পি/ব
No comments:
Post a Comment