ভয়ঙ্কর সেই দিন আসতে বোধহয় আর দেরি নেই সেদিন ভারতের জলের চাহিদা জলের যোগান কে টপকে যাবে।জলের অভাব দেখা দিলে প্রথমেই মরতে শুরু করবে মানুষ আর তারপর যখন চাহিদা আরো যোগানের ঘাটতি তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠবে উড়তে শুরু করবে তখন শুরু হবে লড়াই। ভারতের একারই নয় সমস্যাটা আজ গোটা পৃথিবীর তাইতো বলা হচ্ছে যদি কোনদিন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয় তাহলে সেই যুদ্ধ হবে জল কে কেন্দ্র করে জলের দখলদারি নিজের হাতে তুলে নেওয়ার জন্য।
সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী দেওয়া প্রতিশ্রুতি যেখানে তিনি বলেছিলেন ভোটে জিতে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এলে তার প্রধান কাজ হবে জল সংকটের সমস্যাটির সমাধান করা ।আর দ্বিতীয় কারণ গরম পড়তে না পড়তেই কয়েকটি রাজ্যে জল নিয়ে একেবারে ত্রাহি ত্রাহি রব। নীতি আয়োগ এর ২০১৮সালের জুন মাসের এক রিপোর্টে বলা হয়েছিল ভারত বর্তমানে ভয়ঙ্কর এক জল সংকটের সম্মুখীন যা এদেশে ইতিপূর্বে আর কখনো দেখা যায়নি।এই মুহূর্তে প্রায় ৬০ কোটি ভারতীয় তীব্র কষ্টের সম্মুখীন এবং কেবলমাত্র নিরাপদ পানীয় জলের অভাবে দু লক্ষ মানুষ প্রতিবছর মারা যাচ্ছে জলের এই অভাব তীব্রতম হয়ে উঠবে ২০৩০ সাল নাগাদ কারণ তখন পানীয় জলের চাহিদা ছাপিয়ে যাবে তার যোগান কে।
তবে ২০৩০ সাল অত দূরের কথা অধিকাংশ মানুষ সাধারণত ভাবতে অভ্যস্ত নয়।যারা নয় তাদের ঝুটি ধরে টান মারার ব্যবস্থা ও হাজির রিপোর্টে রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০৯ সাল নাগাদ মনে মানে মাত্র এক বছর বাদে ভারতের একটি শহর যার মধ্যে আছে দিল্লি বেঙ্গালুরু চেন্নাই এবং হায়দ্রাবাদ এর মতো শহর সেইসব শহরে ভূগর্ভস্থ পানি ও জলের ভাণ্ডার কার্যত নিঃশেষ হয়ে যাবে আর এক বছর আগের এই রিপোর্ট যে নিছক সতর্কবার্তায় ছিল না চলতি বছর তার প্রমাণ দিচ্ছে চেন্নাই। জল সংকট নিয়ে রাজ্যসভায় এক বিতর্কে তামিলনাড়ু সংসদকে রঙ্গরাজন জানিয়েছেন ভারতের প্রথম জল শুন্য শহর হয়ে উঠছে চেন্নাই ।জলের অভাব সেখানে এখন এতটাই তীব্র হয়ে উঠেছে যে এক ট্যাংক জল বিক্রি হচ্ছে এক গ্রাম সোনার চেয়ে বেশি দামে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment