দেবশ্রী মজুমদার: বিজেপি নেতা ডালু সেখ খুনের ঘটনায় ধৃত তৃণমূল নেতার পুলিশি হেফাজত। মঙ্গলবার বিজেপি কর্মী সেখ ডালু খুনের মামলায় সেখ লালু ও সেখ নিজামুদ্দিন নামে এই দুই স্থানীয় তৃণমূল নেতাকে গেরফতার ধরে পুলিশ বোলপুর আদালতে তোলে। জানা গেছে, ধৃতদের বাড়ি লাভপুরের মিরবাঁধ। সরকারী কৌসুলি ফিরোজ পাল জানান, মিরবাঁধে ডালু সেখ খুনের মামলায় পুলিশ সেখ নিজামুদ্দিন ও সেখ লালুকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলে। পুলিশ ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করে। ভারপ্রাপ্ত এ সি জে এম সুনীল শর্মা ধৃতদের ১২ দিনের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেন। ধৃতদের বিরুদ্ধে ৩০২/৩৪ বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করে পুলিশ।
উল্লেখ্য, আনুমানিক রাত সাড়ে নয়টা নাগাদ লাভপুরের মীরবাঁধে তার বাড়ি ফিরছিলেন ডালু সেখ নামে এক বিজেপি কর্মী। সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমার আঘাতে তাঁর মৃত্যু হয়। ১৮ তারিখ মৃতর বড়ো ছেলে জসিমউদ্দিন সেখ ১১ জনের নামে লাভপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ ধৃতর গাড়ির চালককেও হেফাজতে নিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত ডালু সেখ লোক সভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপিতে যোগ দান করেন। সে স্থানীয় বিধায়ক মণিরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
অন্যদিকে, ডালু সেখের খুনের পরের দিনই ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লাভপুর। অভিযোগ, ডালু সেখের মৃত্যুর প্রতিবাদে লাভপুর থানার হাতিয়া অঞ্চলের হাতিয়া গ্রাম থেকে বেশ কিছু মানুষ বিজেপির উদ্যোগে থানায় স্মারকলিপি জমা দেওয়া কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ধনডাঙার কাছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা মুড়ি মুড়কির বোমা বাজি শুরু করে। ঘটনার জেরে আহত হন কটাই বাগদি এবং বুলু বাগদি ও কল্যাণী বাগদি নামে দুই মহিলা। অভিযোগ ছিল, আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় দুষ্কৃতীরা ফের তাদের উপর চড়াও হয়। এমনকি গাড়ি উল্টে দেয়। ঘটনা স্থলে লাভপুর থানার পুলিশ পৌঁছালেও, পুরো ঘটনা পুলিশের সামনে হয় বলে সেদিন এলাকাবাসীর একাংশের দাবি ওঠে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment