মনোমোর মেঘেরওসঙ্গী উড়ে চলে দিক দিগন্তের পানে নিশ্চয়ই চিনতে পারছেন গানের লাইন দুটি। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাবনা চিন্তার সাথে আমাদের সাধারন মানুষের ভাবনা চিন্তার আকাশ-পাতাল তফাৎ ভাবতেই পারি না তার মত করে। আবার যখন তিনি ভাবান তখন আমরা অবাক হই বিস্মিত হই ভেসে যায় তার গানে কবিতায় ছন্দে। বর্ষা ঋতুর হাত ধরেই তার চলে যাওয়া। বাইশে শ্রাবণ তার ৭৮ তম প্রয়াণ দিবস।
আজকের দিনে ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের তিনি জোড়াসাঁকো থেকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন তার সব থেকে আপন শান্তিনিকেতন কে। তিনি যে শুধু কবি ছিলেন তা নয়। তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন ছাড়াও রাখি বন্ধন উৎসব এর মাধ্যমে সব মানুষকে একাত্ম করতে চেয়ে ছিলেন। শান্তিনিকেতনে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ব্রহ্মচর্যাশ্রম। তারপর থেকেই শুরু শান্তিনিকেতনে পাকাপাকি বসবাস। কবি জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তার মা ছিলেন সারদা সুন্দরী দেবী। বেলা থেকেই পড়াশোনায় মন বসছে না তার।
বসে বসে কোথায় ভেসে যেত গৃহশিক্ষকের অজানা ছিল। আট বছর বয়সে তিনি কবিতা লেখেন জল পড়ে পাতা নড়ে। এটি তার প্রথম কবিতা। তার জন্ম ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে ৭ ই মে বাংলার ২৫ শে বৈশাখ। কবি ঔপন্যাসিক নাট্যকার সঙ্গীতজ্ঞ প্রাবন্ধিক অন্যদিকে দার্শনিক ভাষাবিদ চিত্রশিল্পী গল্পকার।অসাধারণ সৃষ্টিশীল লেখক ও সাহিত্যিক হিসেবে তিনি সমসাময়িক বিশ্বে খ্যাতি লাভ করেছিলেন। আজ পারি প্রাণ দিবসে শান্তিনিকেতন বিশ্বভারতী ছাড়াও দেশ বিশ্বের বিভিন্ন নয় রবীন্দ্রনাথকে গান নৃত্য নাটক কবিতার মাধ্যমে কবি প্রণাম জানানো হচ্ছে। হে রবি তোমার চরণে শত কোটি প্রণাম।
পি/ব
No comments:
Post a Comment