দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং ট্রোজানের যুদ্ধে মহিলাদের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করা খুব আকর্ষনীয় কাজ। উভয় যুদ্ধে মহিলারা ঘরে তাদের স্বামীদের জন্য অপেক্ষা করতো। তবে ট্রোজানের যুদ্ধে যোদ্ধারা ঘরে তাদের স্ত্রীর কাছে সন্ধ্যে বেলায় ফিরে আসার অনুমতি পেত। আমেরিকান সৈন্যরা ঘরে তাদের স্ত্রীর কাছে পত্র লিখে পাঠাতে পারতো। কিন্তু আর্কিয়ান সৈন্যদের ততটা স্বাধীনতা ছিল না। তাদের ১০ বছর ঘরের মহিলাদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে হতো।
তবে তাদের কামনা-বাসনার চাহীদা পুর্ন করার জন্য তারা প্রায়শই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হঠাত আক্রমন চালিয়ে সেখানকার মহিলাদের বন্দী বানাতো। সেই সমস্ত মহিলাদের ক্যাম্পে নিয়ে এসে যৌন দাস হিসাবে রাখা হতো এবং শুধু যৌন কাজ নয়, ক্যাম্পের সমস্ত কাজ এই সমস্ত মহিলাদের দিয়ে করানো হত। আমেরিকান সৈন্যতে আবার মহিলাদের কাজে রাখা হতো। তবে তাদের কাজ শুধু মাত্র সচিব বা নার্সের ভুমিকাতে সীমাবদ্ধ থাকতো। আমেরিকান সৈন্যরা বিদেশী মহিলাদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতো পতিতা হিসাবে অথবা প্রেমীকা হিসাবে।
অনেক ক্ষেত্রে যুদ্ধ শেষে তারা নিজের প্রেমীকাকে নিয়ে বাড়ি ফিরত। ট্রোজানের যুদ্ধে মহিলা লড়াকুদের একটি দল থাকতো। আকিলিসদের সাথে যুদ্ধে তাদের নেতা পেন্থেসিলিয়া মারা গেছিলো। ট্রোজানদের মধ্যে যুদ্ধে হেরে গেলে তাদের মহিলাদের বন্দী করে যৌন দাসী বানিয়ে রাখার প্রচলন ছিল। কিন্তু আমেরিকান সৈন্যদের হাতে পরাজিত হলে শত্রুপক্ষের মহিলাদের দাসত্ব স্বীকার করতে হতো না।
ট্রোজানের যুদ্ধের কারন ছিল তাদের তিন দেবী এথেনা, অ্যাফ্রোডাইট এবং হেরার মধ্যে ঝগড়া। তারা সমস্ত ট্রোজান যুদ্ধে মহিলা অংশগ্রহণকারীদের নিয়ন্ত্রণ করেছিলো এবং যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলো। এথেনা ছিলেন শক্তি এবং দক্ষতার প্রতীক, অ্যাফ্রোডাইট প্রেমের প্রতীক আর হেরা ছিল মহিমার প্রতীক। ভাগ্যক্রমে শক্তি এবং দক্ষতার দেবী শেষে জয়ী হয়েছিলেন। অপরদিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতার যুদ্ধ।
পি/ব
No comments:
Post a Comment