সাজানো গোছানো ব্যস্ত শহরে নাগরিক সুবিধা সবই রয়েছে অধিক উচ্চতায় এমন আধুনিক শহরের কথা ভাবাই যায় না। শহরের চারপাশে ধূসর দাদাগিরি শ্রেণীর প্রাচীর শহরের সব জায়গা থেকেই দৃশ্যমান তুষারশুভ্র স্তোক কাংড়ি সিংহ। লে কে কেন্দ্র করে উল্লেখিত দ্রষ্টব্য ঘুরতে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগবে। এক্ষেত্রে বিমানে যাতায়াত সুবিধা। সড়কপথে গেলে সময় বেশি লাগবে।
এই শহরে গাড়ি নিয়ে ঘুরতে হবে। লে শহরের প্রাণকেন্দ্র ফোর্ট রোড আর লাগোয়া ওল্ড রোড রয়েছে। সেমো টিলার ওপর তৈরি লে প্রাসাদ এখানেই রয়েছে। ধূসর বর্ণের এটি একটি নয় তলা প্রাসাদ। কাঠ পাথর মাটি দিয়ে পুরোপুরি নির্মিত।তিব্বতের লাসার পোতালা প্রাসাদের গঠনশৈলীর সঙ্গে এই প্রাসাদের কিছুটা মিল রয়েছে। প্রাসাদটি বেশ পুরনো ও জরাজীর্ণ।এখন প্রাসাদটি অনেকটা সংস্কার করে তার মধ্যে সংগ্রহশালা রাখা হয়েছে, রয়েছে পুরনো বৌদ্ধ গুম্ফা ।ওপর থেকে লে শহর, সিন্ধু উপত্যকার দৃশ্য অতুলনীয়।
লে প্রাসাদ দেখে আপনারা যেতে পারেন সেমো দুর্গতে। এই ধ্বংসপ্রায় দুর্গের মাথায় রয়েছে প্রাচীন গুম্ফা। প্রসঙ্গত বলে রাখি লাদাখে দিনের আলো প্রায় রাত ৮ টা পর্যন্ত থাকে তাই বেড়ানোর জন্য অনেকটা বেশি সময় আপনারা পেয়ে যাবেন। আবার সকাল পাঁচটা তে ভোরের আলো ফুটে। বিমানবন্দরের কাছেই রয়েছে সেনাবাহিনীর হল অফ ফেম মিউজিয়াম। কারগিল যুদ্ধের নানা স্মৃতিচিহ্ন ,সিয়াচেন হিমবাহ যুদ্ধক্ষেত্রের খুঁটিনাটি এখানে সাজানো আছে।
লে শহর থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে শংকর গুম্ফা এই পথে শহরের পুরানো বসতি চোখে পড়ে এগারটি মাথা ও ১০০০ হাতের অবলোকিতেশ্বর বুদ্ধমূর্তি বৈচিত্র্যময়। তারপরে যাওয়া যেতে পারে স্পিতুক গুমপায়।এর ভিতর প্রাচীন দেওয়াল চিত্র বড় বুদ্ধমূর্তি বিচিত্র রূপে কালী মূর্তি রয়েছে অন্ধকারাচ্ছন্ন গা ছমছম পরিবেশে কাপড়ে ঢাকা কালী মূর্তির নয়টি মাথা, ৩৪ টি হাত, ১৬ টি পা ,রয়েছে বিশেষ উৎসবে মূর্তিটির ঢাকনা খোলা হয়। এছাড়া এখানে রয়েছে স্তক রাজপ্রাসাদ, লাদাখের বৃহত্তম ও সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধমঠ হেমিশ গুম্ফা, থিকসে গুম্ফা ইত্যাদি।
পি/ব
No comments:
Post a Comment