সুদেষ্ণা গোস্বামীঃ এই রোগের জন্য সর্বপ্রথম দায়ী করা যায় ধূমপান কে। প্রায় এক নাগাড়ে ৩০ বছর ধূমপান করলে এই রোগ শুরু হয়ে হতে পারে ।এছাড়া আছে নানাবিধ কারণ শরীরের আলফা ওয়ান এর ঘাটতি এবং বায়ু দূষণ। গ্রামগঞ্জে রান্নার জন্য ব্যবহৃত কাঠ-কয়লার জ্বালানি থেকে উদ্ধৃত ধোঁয়া ইত্যাদি। এমফিসিমা হলে ফুসফুসের গঠনগত পরিবর্তন হতে দেখা যায় ।
ফুসফুসের মধ্যে ছোট ছোট বাতাসের থলি থাকে বড় হয়ে ফসকার আকার ধারণ করে। সাধারণত প্রশ্বাস গ্রহণের সময় ফুসফুস প্রসারিত হয় কিন্তু নিশ্বাসে তা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে ।এই রোগে ফুসফুসের সেই স্থিতিস্থাপক ধর্মটি নষ্ট হয়ে যায়।সংকুচিত হয়ে যায় শ্বাসনালী ।ফুসফুস থেকে বাতাস বের হতে পারেনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুসফুস বাহিত রক্তবাহী নালীগুলো। যার ফলে ফুসফুসের রক্তপ্রবাহ অক্সিজেন গ্রহণে অসক্ষম হয়। এই রোগে আক্রান্ত রোগী প্রশাস গ্রহণের ক্ষমতা একই রকম থাকে।
কিন্তু অসুবিধা হয় নিঃশ্বাস ছাড়ার সময়। এই সময় বাতাস সম্পূর্ণভাবে বের হতে পারে না। ফুসফুসে তা আটকে থাকে। এই রোগে ফুসফুস হয় বৃহৎ আকার।কিন্তু অত্যন্ত কমে যায় তার কর্ম ক্ষমতা। ধূমপানের ফলে ফুসফুসের প্রতিরোধক কোষগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখন এরা ব্যাকটেরিয়া আক্রমণের সঙ্গে যেতে পারে না।
সিগারেটে বিভিন্ন ক্ষতিকারক পদার্থ তাড়াতে অক্ষম হয় এর ফলে হয় খারাপ ।রোগীর অসুস্থতা বাড়তে থাকে। ঘন ঘন ভুগতে থাকে ইনফেকশনে। বায়ুদূষণও কিন্তু ধূমপানের মত একই ভাবে ক্ষতি করে ফুসফুসের। তাই আপনি যদি চেইন স্মোকার হন এবং ঘন ঘন স্মোক করেন আজ থেকে একটু ভাবুন।
পি/ব
No comments:
Post a Comment