আদি অনন্তকাল থেকে জ্যোতিষ মতে প্রতিকারের ব্যবস্থা বহুল প্রচলিত। এক সময় ভারতীয় জ্যোতিষ চর্চায় আয়ুর্বেদ মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিল।বেদ পরবর্তী সময়ে বিশেষ খ্যাতি লাভ করে জ্যোতিষ। দেখা গেল তখনকার প্রাতঃস্মরণীয় জ্যোতিষ বিদ্যা গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান জাতক-জাতিকার জন্মক্ষণ পঞ্জি বিচার করে অসাধারণ সব বিচার করতে লাগলেন।
পরবর্তীকালে তাদের দেখানো পথেই জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞরা চালিত হতে থাকে। যখন অ্যালোপ্যাথি ওষুধের এত আবিষ্কার বা চল ছিল না তখনো মানুষ সুস্থ ভাবে বহু বছর বাঁচবেন এই জ্যোতিষ ও তন্ত্রের দেওয়া ওষুধের মাধ্যমে তার সঙ্গে আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রচলন ছিল। যেমন কেউ দীর্ঘকাল কোন রোগে ভুগলে তার নামে মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করে ও যথানিয়মে হোম করে মহামৃত্যুঞ্জয় কবচ ধারণ করানো হতো।
এবং তা মন্ত্রের মতো কাজ দিত এখনো কাজে দেয় সঠিক পদ্ধতিতে পণ্ডিতকে দিয়ে প্রস্তুত করালে। এবার জানাই এখনকার সময়ে কিছু অসুখ যা জ্যোতিষ মতে প্রতিকার করলে অব্যর্থ ফল পাওয়া যায়। আজকাল নানা কারণে মানুষ শারীরিক দুর্বলতার শিকার হয় তার পাশাপাশি অনেকেই রক্তাল্পতায় ভোগেন সেক্ষেত্রে মাতঙ্গী পূজা ও কবজ প্রসিদ্ধি। আবার যাদের অল্পেই ঠান্ডা লাগে সর্দি-কাশিতে জেরবার ফুসফুসের দুর্বলতা বুকে কফ তারা কমলা কবচ ধারণ করতে পারেন।
রক্তের নানারকম দোষে আবার দূষিত রক্ত যুক্ত ত্বকের রোগ যেমন এলার্জি একজিমা ইত্যাদি রোগের উপশমে মঙ্গলের প্রতিকার করতে হয়।এক্ষেত্রে বগলামুখী কবচ ধারণ এ রোগে আরাম পাওয়া যায়। আজকের দিনে একটি ভয়ঙ্কর অশোক অ্যালজাইমার ডুমুরশিয়া ইত্যাদি। এসব ক্ষেত্রে স্মৃতি শক্তির অসুস্থতাই মুখ্য।নার্ভের রোগে এবং এরকম অসুস্থতায় ত্রিপুরা সুন্দরীর পূজা ও জব করে এই দেবী কবচ ধারণ করলে অনেক ভালো ফল পাওয়া যায়।
পি/ব
No comments:
Post a Comment