প্রাচীন গ্রিসে নারীদের ভূমিকা হ্রাস পেয়ে শুধুমাত্র শিশু জন্ম দেওয়ার মধ্যে সিমাবদ্ধ হয়ে গেছিলো এবং এভাবে তারা স্বামীর বংশধর নিশ্চিত করতো। একজন মহিলার ক্ষেত্রে একই ভূমিকা রোমান সমাজে দেখা গিয়েছিল। মহিলাদের পুডিসিটিয়ার প্রতি সম্মান জানাতে হতো, এটি হল একটি জটিল নৈতিক মূল্য যা মেনে মহিলাদের একজন পুরুষের প্রতি বিনয়, সতীত্ব এবং ভালবাসার প্রদর্শন করতে হতো।
কেবল ধনী পরিবারের মেয়েরাই শিক্ষা গ্রহণ করতো, তবে তাদের অবশ্যই নিজের স্বামী এবং পিতার বশীভূত থাকতে হতো এবং তারপরে সামাজিক জীবনে সন্তান লালন-পালনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হতো। তবে পুরুষদের বেশি স্বাধীনতা ছিল সেইসময়ে। তারা বিয়ের বাইরে যৌনমিলন করতে পারতো এবং এমনকি পতিতা বা দাসদের দ্বারা সেই আকাঙ্ক্ষাকে সম্পুর্ন করতে পারতো।
যে কেউ ক্রীতদাসকে যৌন নির্যাতন করতে পারতো, তাদের কেউ মানুষ হিসাবে ভাবতো না বরং সম্পত্তি হিসাবে বিবেচিত হতো, এমনকি তাদের নিজেদের শরীরের উপর কোন অধিকার ছিল না। পুরুষদের সুবিধার জিন্য সেই সময়ে গ্রীসে বেশ্যাবৃত্তি বৈধ ছিল, সেখানে পতিতালয়গুলির অস্তিত্ব ছিল, তবে এখানে কর্মরত মহিলাদের স্বাধীনতা থাকলেও দাসদের মতোই তাদের সমাজে কোন জায়গা ছিল না। এই ধরনের লোকেদের মধ্যে অভিনেতা, গ্ল্যাডিয়েটরস এবং নৃত্যশিল্পীও ছিলেন, যারা রোমের লোকদের বিনোদন করিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
এখানকার পুরুষরা বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কের আশ্রয় নিতো। তাদের ঘরের দেওয়ালে অশ্লীল ছবি আঁকা থাকতো। পম্পেই এবং হারকিউলেনিয়ামে তথাকথিত বেসরকারী সেক্স ক্লাব ছিল। এগুলি প্রকৃতপক্ষে ধনী শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিদের বড় ভিলার মধ্যে পৃথক কিছু কক্ষ। এই ঘরগুলি অশ্লীল ছবি দিয়ে পতিতালয়ের মতো সজ্জিত ছিল এবং বাড়ির একটি পৃথক প্রবেশপথ ছিল, সুতরাং দর্শনার্থীরা ভিলা মালিকদের বিরক্ত করতেন না।
পি/ব
No comments:
Post a Comment