আমাদের জীবনে অ্যালোভেরার অনেকখানি অবদান আছে। তার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও কিন্তু বিশাল বড় একটা ভূমিকা পালন করে এটি। যখন আমরা ব্যবহার করব তার আগে জেনে রাখা দরকার এটিকে সঠিক কিভাবে ব্যবহার করা যায়। আজকাল কিন্তু অ্যালোভেরা গাছ টবের মধ্যে অনেকেই লাগিয়ে থাকেন।খুব ছোট্ট একটা গাছে পাতাগুলো কিন্তু অনেক লম্বা লম্বা হয় পাশে কাটা থাকে অনেকটা আনারস গাছের পাতার মতো দেখতে হয় ।
যখন এটাতুলে নেবে মানে বের করে নেবে তখন দেখবে তার তলা থেকে একটা হলুদ মত তরল বেরিয়ে আসে। সেটা কিন্তু সত্যিই খুব ক্ষতিকারক ।সবার আগে দরকার পাতা টা1 ঘন্টা মত রেখে দেওয়া যাতে ওই হলুদ মত তরল টি পুরোপুরি বেরিয়ে আসে। নিজেদের জন্য এলোভেরা জুস খাবার জন্য কেউ বাড়িতেও বানিয়ে নেয় আবার কেউ কেউ য বড় নামিদামি আয়ুর্বেদিক কোম্পানি র অ্যালোভেরা জুস পাওয়া যায় বাজারে সেটা ব্যবহার করে।
এলোভেরা জুস পুরোপুরি প্রসেস করা থাকলে সেটা শরীরের পক্ষে ক্ষতি করে না। আর সেটা যদি আমরা বাড়িতে তৈরি করি আযর যদি সেটা ঠিকঠাক করে তৈরি করা না হয় তাহলে কিন্তু বেশ বড় শরীরের ক্ষতি করে। এই ব্যাপারে যদি প্রসেসটা ঠিকমতো জানা না থাকে যে এলোভেরা জুস কিভাবে তৈরি করব তাহলে কিন্তু বাড়িতে না করাই শ্রেয়। বাজার থেকে ভালো কোম্পানির এলোভেরা জুস নিতে পারেন।
জেনে নেওয়া যাক অ্যালোভেরা জুস কিভাবে বানাবেন । পাতাটা প্রথমে তুলে নিয়ে তার পর ওটাকে রেখে দিলেই দেখবেন হলুদ মত একটা তরল বেরিয়ে আসবে। প্রায় এক ঘণ্টা রেখে দিতে হয় যাতে পুরো হলুদ অংশটা বেরিয়ে যায় ।এই হলুদ কিন্তু শরীরে মারাত্মক ক্ষতি করে । পাশে যে কাঁটা থাকে সবার আগে সে কাটা গুলো সাইট থেকে কেটে নেবে। তারপর মাঝখান থেকে শাস কুুড়িয়ে বা কেটেকেটে নেবে ।সেটা যেন কাঁচের পাত্র হয় ।কোন রকমে মেটাল এর পাত্রের মধ্যে রাখবে না।
এরপর মিক্সিতে হালকা একটু হালকা একটু ব্লেন্ড করে নিতে হবে। তাহলে একটা থকথকে ব্যাপার আসবে। এটা কি ২ থেকে ৩ দিন প্রিজাভ করার জন্য পেশাব করার জন্য এক চামচ লেবুর রস দিয়ে দেবেন তাহলে কিন্তু এ টা থাকবে না হলে যতই আপনি ফ্রিজে রাখুন না কেন। কিন্তু আপনারা যদি চেহারা ওমুখে চুলে ব্যবহার করতে চান তাহলে কিন্তু এটা করতে পারেন। যদি না শরীরে কোন সমস্যা না থাকে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment