নৌসেনাদের সমুদ্রে থাকার সময় বাড়তেও পারে পরিস্থিতি অনুযায়ী। এইসব নৌসেনাদের স্ত্রীদের জীবন খুব কস্টকর হলেও তারা কস্ট দূর করার জন্য নিজেদের বিভিন্ন রকম কাজে ব্যাস্ত রাখেন। পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে শিখে যান তারা।এরা নিজেদের মতো করে আনন্দে থাকতে শিখে যান।
তারা নিজেদের দুঃখ ভুলে যান। কিন্তু যারা নৌসেনাদের স্ত্রী হন তারা ভারতের সবথেকে সুন্দর কিছু শহরে থাকার সুযোগ পেতে পারেন। এগুলির মধ্যে রয়েছে মুম্বাই, দিল্লী, ভাইজ্যাক, চেন্নাই এবং কোচি।অবশ্য তাদের মনে একটা ভয় থেকেই যায়। তাদের স্বামীর প্রানের ভয়। জলপথে দেশের উপর শত্রু আক্রমন করলে তাদের প্রাণ যেতে পারে যখন তখন। এই ভয় তাদের সারাক্ষন তারা করে বেড়ায়।
তবুও তারা নিরুপায় হয়ে সব ভুলে নিজের মতো জীবন তৈরি করে নেন।এছাড়াও এইসব নৌসেনাদের তিন থেকে পাঁচ বছর অন্তর ট্র্যান্সফার হয়ে যায় অন্য কোন শহরে। এই সময় নতুন শহরে থাকার ব্যবস্থা যত না হয় তাদের বন্ধু সহকর্মীর বাড়িতে থাকতে হয়।
ভারতীয় নৌসেনা সারা পৃথিবীর শক্তির মধ্যে সপ্তম স্থানে আছেন।তারা দেশের উপকূল সমুদ্রের রণকৌশল সাজানো সহ দেশকে নানা ভাবে সুরক্ষিত রাখার কাজ করেন। এছাড়াও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় তারা ঝাপিয়ে পড়ে দেশবাসিকে রক্ষা করার জন্য।তারা দেশের সাধারন মানুষকে নিজেদের প্রাণের পরোয়া না করে বাঁচায় ।
পি/ব
No comments:
Post a Comment