আমরা অনেকেই আছি যারা কৈলাশ পর্বতের নাম শুনেছি কিন্তু তাও অনেকেই ভাবেন এই কৈলাশের বোধয় বাস্তবে কোন অস্তিত্ব নেই। কিন্তু আসলে এই কৈলাশের অস্তিত্ব আছে। এটি গ্যাঙ্গডিস পর্বতের চূড়া যা তিব্বতের হিমালয় পর্বতমালার একটি অংশ। এই কৈলাশ পর্বতের উচ্চতা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতার তুলনায় ২২১০ মিটার কম।
এভারেস্ট এর চূড়ায় আজ পর্যন্ত অনেকেই পৌঁছেছেন কিন্তু কেউ এখনও কৈলাশে পৌঁছোতে পারেননি। কিন্তু কেন? এর পেছনে কি কারণ রয়েছে তা নিয়ে অনেক বিতর্কিত মতবাদ রয়েছে।এই পর্বত দেখতে মোটেই পর্বতের মতো নয়। এটি দেখতে অনেকটা পিরামিডের মতো। রাশিয়ান এক বিজ্ঞানী কৈলাশ সম্পর্কে বলেছেন যে এটি কোন পর্বত নয়।
এটি আসলে একটি পিরামিড।আজ পর্যন্ত যারা কৈলাশের চূড়ায় পৌঁছনোর চেষ্টা করেছেন তারা সকলেই ব্যার্থ হয়েছেন। তারা বলেছেন ঐ পর্বতের চৌম্বক শক্তি এত বেশি যে সেখানে কম্পাস কাজ করেনা। ফলে তারা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত আর পৌছোতে পারেনা। তারা আরও বলেছেন যে সেখানে নাকি সময় অনেক দ্রুত চলে। এই তথ্য পাওয়া গেছে তিব্বতের একমাত্র জীবিত ব্যাক্তি মিলারেম্বা সাধুর কাছ থেকে।
তিনি জানিয়েছেন অতি দ্রুত সেখানে সময় অতিবাহিত হয়। দু সপ্তাহ নাকি অতিবাহিত হয় মাত্র ১২ ঘন্টায়। এটি আর একটি অন্যতম কারণ পর্বতারোহনে ব্যার্থ হওয়ার। কথিত আছে এই কৈলাশ পর্বতে যখন বরফ পড়ে তখন তা ওঁ আকৃতি ধারন করে।হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানরা ওঁ শব্দটিকে পবিত্র শব্দ বলে মনে করেন।
তাই আমারা মনে করি সেখানে ভগবান শিব বাস করেন বলেই এরকম ঘটনা সেখানে ঘটে। এর পেছনে কোন বিজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। আরও একটি অবাক করা বিষয় হল সন্ধ্যার সময় যখন সূর্য অস্ত যায়, তখন এই পর্বতের ওপর যে ছায়া পড়ে সেটি একটি স্বস্তিক এর আকার নেয়।
কে
No comments:
Post a Comment