সকল মনস্কামনা পূরন করতে আসুন এই জাগ্রত কালীমন্দিরে - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 2 August 2019

সকল মনস্কামনা পূরন করতে আসুন এই জাগ্রত কালীমন্দিরে




 মানুষ ভালো হোক বা খারাপ  সবাই মনস্কামনা পূরনের জন্য মা কালীর পূজো করেন। আমরা জানি আগেকার দিনে ডাকাতেরা ডাকাতি করতে যাওয়ার আগে কালী পুজো করতো। সেই কথা আমরা প্রাচীন গল্প গুলি থেকে জানতে পারি।আমাদের বিশ্বাস যে কালী ঠাকুর কখনো কাউকে খালি হাতে ফেরায় না। তাই সারা রাজ্য জুড়ে অসংখ্য কালী মন্দির গড়ে উঠেছে। আজ আপনারাও জেনে নিন এমনই কিছু জগ্রত কালী মন্দিরের কথা যেখানে আপনি যা চাইবেন তাই পাবেন।


 কালী ঘাট ঃ- কালীঘাটের কালী মন্দিরটি পশ্চিমবঙ্গের একটি প্রাচীনতম কালী মন্দির। এই মন্দিরের কথা মনসামঙ্গলেও উল্লেখ আছে। এত পুরনো সাহিত্যে যখন কালীঘাটের কথা উল্লেখ আছে তখন নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন তার মাহাত্ম্য ও প্রাচীনত্বের ব্যাপারে। প্রায় ষোড়শ-সপ্তদশ শতক থেকে বাংলার মানুষ অনেক দূর থেকে আসতো কালীঘাটের মায়ের কাছে আশির্বাদ চাইতে। কালীঘাটের মন্দির ঘিরে অনেক রকম গল্প কথা শোনা যায়। এই মন্দির মোট ছয়টি খন্ডে বিভক্ত। নাট্য মন্দির, ষষ্ঠী তলা, হাড়কাঠতলা, রাধাকৃষ্ণ মন্দির, চোর বাংলা, কুন্ড পুকুর।বর্তমানে যে মূর্তি পুজো করা হয় সেটি কোষ্ঠী পাথেরে তৈরি। তাছাড়াও সোনা ও রূপা দিয়ে তৈরি আরো একটি মূর্তি আছে। মায়ের যে জিভ পালটানো হয় তা ৫১৬ গ্রাম সোনা ও ২ কিলোগ্রাম রূপা দিয়ে তৈরি। তাছারাও দেবীর খড়গটি ২ কেজি সোনা দিয়ে তৈরি।



 কঙ্কালিতলা মন্দির ঃ- এই মন্দিরটি বীরভূম জেলার বোলপুরে অবস্থিত। এখানে দেবী সতীর কঙ্কাল অর্থাৎ কোমর পড়েছিল। সেখানে কোন মূর্তি বা বিগ্রহ পূজিত হয়না। কথিত আছে সেখানে যখন মা সতীর কোমর পড়েছিল তখন মহাদেব সেটি একটি গোপন কুন্ডে রেখে গিয়েছিলেন। যার সন্ধান আজ পর্যন্ত কেউ পায়নি।



কীর্তিশ্বরী মন্দির, মুর্শিদাবাদ ঃ- ৫১ পীঠের অন্যতম একটি মন্দির হল এটি। এই মন্দিরটি মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত। এটি এই জেলার সবথেকে প্রাচিন মন্দির। এই মন্দিরের একদম প্রাচীন মূর্তি নষ্ট হয়ে যায়, তারপর সেই মূর্তি আবার নতুন করে গড়ে তোলেন জমিদার দর্প নারায়ন। বলা হয় দেবী সতীর মাথার মুকুট এই স্থানে পরেছিল।



 দেবী সর্বমঙ্গলা ঃ- রাজা বিক্রমাদিত্য শব দেহের উপর বসে এই দেবীকে তুষ্ট করেছিলেন। এই মায়ের মূর্তি তৈরি হয়েছিল অষ্ট ধাতু দিয়ে। এই মা দশভূজা। এছাড়াও জনমতে শোনা যায় এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন স্বয়ং বিশ্বকর্মা। কথিত আছে এক রাতের মধ্যেই এইখানে সাতটি পুকুর খনন করা হয়েছিল এবং সেই পুকুরের মধ্যেই এই মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়।



 কীর্তিশ্বরী মন্দির, মুর্শিদাবাদ ঃ- ৫১ পীঠের অন্যতম একটি মন্দির হল এটি। এই মন্দিরটি মুর্শিদাবাদ জেলায় অবস্থিত। এটি এই জেলার সবথেকে প্রাচিন মন্দির। এই মন্দিরের একদম প্রাচীন মূর্তি নষ্ট হয়ে যায়, তারপর সেই মূর্তি আবার নতুন করে গড়ে তোলেন জমিদার দর্প নারায়ন। বলা হয় দেবী সতীর মাথার মুকুট এই স্থানে পরেছিল।



 দক্ষিনেশ্বর কালীমন্দির ঃ- কোলকাতা সহ গোটা পশ্চিমবঙ্গের কালী ভক্তদের তীর্থস্থান হল এই দক্ষিনেশ্বরের মন্দির। এই মন্দিরে মা রামকৃষ্ণদেবকে দর্শন দিয়েছিলেন। তাহলে আর মনের দুঃখ কীসের? সব কষ্ট ঝেড়ে একবার শুধু মা কালীর পায়ে আশ্রয় নিয়েই দেখুন। ভক্তিভরে তাঁকে প্রণাম করুন। মা আপনাকে ফেরাবেন না।



 তারাপীঠ ঃ- তারাপীঠের মা তারার মহিমা কে না জানে! এই মায়ের কাছে মানত করে যা চাইবেন তাই দেয় মা। বলা হয় এই স্থানে মা সতীর চোখের মণি পড়েছিল। দেবী এখানে মা রূপে পূজীত হন। আপনার জীবনের যে কোন সমস্যায় মা কে ডাকুন, ফল আপনি পাবেনই।


পি/ব 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad