হাতে ডিম ও ভাল্ব নিয়ে ঝুঁকির কসরত করছে অসমিয়া যুবক দীপ - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 26 August 2019

হাতে ডিম ও ভাল্ব নিয়ে ঝুঁকির কসরত করছে অসমিয়া যুবক দীপ







হাতে ডিম ও ভাল্ব নিয়ে ঝুঁকির কসরত করছে অসমিয়া যুবক দীপ দেব।

বিশ্বের নানা দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বাইক স্টান্ট খেলা।পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে মোটরবাইক নিয়ে তরুণদের রোমাঞ্চকর কসরত দেখানোর একটা নতুন চল শুরু হয়েছে।পরে তা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। যদি ভারতের মত দেশগুলিতে বাইক স্ট্যান্স খোলা রাস্তায় নিষিদ্ধ। তবুও পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে রাস্তায় নেমে পড়ে তরুন তরুনীরা।

বাইক নিয়ে রাস্তায় স্ট্যান্স করতে হামেশাই দেখা যায়। কিন্তু দুহাতের মুঠোয় ডিম কিংবা পাতলা কাঁচের ইলেকট্রিক ভাল্ব নিয়ে শারীরিক কসরত এমন ছবি বা ঘটনা দেশ শুধু নয় বিশ্বে বিরল। আসামের যুবক দীপ দেব সেই বিরল স্ট্যান্স দেখিয়ে সাড়া ফেলেছেন ইতিমধ্যে। এসব কসরত দেখানোর সময় বাইকারদের মত দীপ দেবে জীবনের ঝুঁকিও নিয়ে করছেন ।



 সূর্য যখন ডুবতে থাকে আর কমতে থাকেন গরম, তখন দামী মোটরসাইকেল নিয়ে আসরে হাজির হয় সেরা বাইকাররা। দেশের ব্যস্ত সড়কগুলো যখন মধ্যরাতে নীরব হয়ে পড়ে, ঠিক তখনই একশ্রেণির তরুণ ফাঁকা সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ বাইক স্টান্টের মরণখেলায় মেতে ওঠে। ফাঁকা রাস্তায় ‘বাইক চালিয়ে তারা নানা কসরত দেখায়। কখনো বাইকের ওপরে দাঁড়িয়ে, কখনো শুয়ে, কখনো বাইক দিয়ে জাম্প দিয়ে স্টান্ট করা হয়। প্রতিটি স্টান্টের আবার আলাদা আলাদা নামও রয়েছে। এর বেশির ভাগই ইংরেজি নাম। হুইলি, স্টপই, বারনাউট, বার্ন আউট, সার্কেল, হিউম্যান কম্পাস ইত্যাদি। এসব কসরত দেখাতে গিয়ে প্রায়ই ঘটছে ছোটো-বড়ো দুর্ঘটনা। চোখের সামনে দুর্ঘটনা দেখেও এমন ঝুঁকিপূর্ণ কসরতে আকৃষ্ট হচ্ছে তরুণরা।

উঠতি বয়সি বাইকার তরুণরা মোটরসাইকেল স্টান্ট ও কার প্রতিযোগিতায় নামছে। রাতে ঘুমন্ত নগরীতে ফাঁকা রাস্তায় নিম্নে ৭০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে বাইক ও গাড়ি চালানোর প্রতিযোগিতা হয়। কে কত গতিতে বাইক কিংবা গাড়ি চালাতে পারে এটাই প্রতিযোগীদের মূল টার্গেট। ফাঁকা রাস্তায় সর্বনাশা এই গতিই এ খেলার মরণনেশা। এসব গাড়ি দেখতে একটু ভিন্ন রকম। বাইকগুলোর সামনের হেডলাইট-মিটার খোলা থাকে, পেছনে থাকে লোহা লাগানো, ছোট ফগ লাইট থাকে সামনে, একটু অন্য রকম বাম্পার, পুরো বাইকটি বিভিন্ন রকম রং, লাইট ও স্টিকার দিয়ে সজ্জিত থাকে। অন্যদিকে গাড়ির প্রতিযোগিতায় ব্যবহার করা হয় স্পোর্টস কার। এর বিকট শব্দ হয়, যেগুলো দিনের বেলা সচরাচর দেখা যায় না। শুধু রাতে প্রতিযোগিতার জন্য ব্যবহার করা হয়। ফাঁকা রাস্তায় ভোঁ ভোঁ শব্দ করে ছুটে চলে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। আবার কখনো কখনো একই গতিতে ইউটার্ন নেয়। এতে ঘটে দুর্ঘটনা। তবু বর্তমান প্রজন্মের কাছে এই প্রতিযোগিতা আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে অভিজাত এলাকার বিত্তশালী পরিবারের উঠতি বয়সি তরুণরা এমন খেলায় মেতে ওঠে।

অনেকেই রেস ও স্টান্টকে গুলিয়ে ফেলেন। দুটি কিন্তু এক ব্যাপার নয়। বাইক রেসের সময় এর গতি থাকে ৭০ থেকে ১০০ কিলোমিটার। রেসের সময় গতিই নেশা। এটা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ ঢাকায় এ ধরনের প্রতিযোগিতার জায়গা নেই। অন্যদিকে স্টান্ট করার সময় ১০ থেকে ২০ কিলোমিটার থাকলেই যথেষ্ট। এখানে গতি বিষয় না। কে কত রকম কসরত দেখাতে পারলো এটাই মূল বিষয়। পাশ্চাত্যে এ ধরনের খেলা অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশে এর উপযোগী জায়গা নেই। এজন্য দুর্ঘটনা ঘটে। আবার এর জন্য যে ধরনের সুরক্ষা নেওয়া দরকার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা সেটাও নেন না। ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে হতাহত হয়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad