দিদির জামানায় 25 হাজার কোটি টাকার কাটমানি। ভারতী ঘোষের গোপন রিপোর্টে চাঞ্চল্য তৃণমূলে। কাটমানি নিয়ে এক গোপন রিপোর্ট দলের কাছে পেশ করতে চলেছেন বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষ যা আগামী দিনে রাজ্যের শাসক দলের কাছে এক বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠতে পারে। এমনই মনে করা হচ্ছে। খবর দৈনিক যুগশঙ্খ পত্রিকার।
বিজেপির সদ্যসমাপ্ত চিন্তন বৈঠকে দলীয় নেতৃত্বকে এ কথা জানিয়েছেন তিনি। যা একুশে ঘাসফুল শিবিরের বিরুদ্ধে বিজেপির বড় অস্ত্র হতে চলেছে ।কাটমানি ইস্যুতে ক্রমাগত চাপ বাড়িয়ে শাসক তৃণমূল কংগ্রেসকে কোণঠাসা করতে আদাজল খেয়ে নেমেছে । শনি ও রবিবার দুর্গাপুরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে একুশে নির্বাচনের নীলনকশা তৈরি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় । দলীয় সুত্রে খবর, ওই বৈঠকে ভারতী ঘোষ মমতা সরকারের আমলে 25 হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে জানান । তিনি প্রস্তুত করেছেন তার বক্তব্য ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের এক অধ্যাপক এই দুর্নীতির বিষয়ে পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট তৈরি করতে সাহায্য করেছেন ।
জানা গেছে আগামী 16 ই আগস্ট কলকাতায় বিজেপির সদর দপ্তরে বিশেষ করে কাটনিয়ে এক বৈঠক হবে। তারপর কাজ সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও দলের সর্বভারতীয় সভাপতি তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে । এর পরিপ্রেক্ষিতে স্বাভাবিকভাবে ভারতী ঘোষের এই 25 হাজার কোটি টাকা দাবি বিজেপিতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে । প্রাক্তন আইপিএস ভারতী একসময় খুব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিলেন । দলের অনেক ঘরের খবর জানা থাকা অস্বাভাবিক নয় বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল। তবে ভারতী ঘোষ কে ফোন করা হলে তিনি এ বিষয়ে দৈনিক যুগশঙ্খ পত্রিকার প্রতিনিধিকে এনিয়ে এখনই মুখ খুলতে চাননি । তিনি বরং জানিয়ে দেন বৈঠকে যা বলেছি সেটা নিতান্তই দলের ভিতরে ব্যাপার।
তা নিয়ে প্রেস কে কিছু বলবো না। বিষয়টি সত্য তা অবশ্য স্বীকার করে নিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু । খড়গপুর থেকে তিনি দৈনিক যুগশঙ্খকে জানান , রবিবার চিন্তন বৈঠকে কাটমানি প্রসঙ্গে আলোচনা হয় । ভারতী ঘোষ এক সময় মুখ্যমন্ত্রীর প্রিয় পাত্র ছিলেন । তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানিয়েছেন নারদ ও সারদাকাণ্ডের চেয়েও বড় মাপের কাটমানি দুর্নীতির খবর আছে তার কাছে । 25 হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি নিয়ে তিনি একটি রিপোর্ট তৈরি করেছেন । এ কাজে তাকে সাহায্য করছেন আইএসআইয়ের জনৈক অধ্যাপক। তিনি পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট তৈরি করেছেন।

No comments:
Post a Comment