আমাজন জঙ্গলে নিরীহ আদিবাসীদের সাথেও হিংসাতে নেমে এসেছে এক দল লোক, শুধু মাত্র লোভের কারনে। সোনার খনির দখল নিতে হবে আর সেই কারনেই আমাজনের জঙ্গলে গিয়ে এলোপাথাড়ি হামলা চালাল বন্দুকবাজের দল। এই হামলার মাঝে পড়ে খুন হয়ে গিয়েছেন গ্রামের মোড়ল। সোমবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ব্রাজিলে আমাজনের গভীর জঙ্গলের মধ্যে থাকা আদিবাসীদের গ্রাম আমাপা প্রদেশে।
সেই এলাকায় এখনও আধুনিকতার ছোঁয়া পড়েনি। লোভের চকচকে চোখ দেসেনি সেখানকার সহজ সরল আদিবাসী জনজীবন। এবার সোনার কোঁজে সেখানেই হানা দিল হিংস্র বন্দুকবাজের দল। অজ্ঞাত পরিচয় লোকজনদের এভাবে গ্রামে ঢুকতে দেখে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন মোড়ল, তাঁকেই কিনা কুপিয়ে খুন করা হল। মূলত সোনার খনির দখলদারি নিয়েই যে এই হিংসার সূত্রপাত তা এককথায় মেনে নিচ্ছে পুলিশ।
এই খনের ঘটনার দায়ে প্রশাসনকেই দুষছে এলাকাবাসী। বাসিন্দাদের একাংশের মত খুব শিগগির আমাজনের গভীর অরণ্যের অমূল খনিজ ও সোনার দখলদারি নিয়ে বিভিন্ন দুষ্কৃতীদল জঙ্গলে আসবে। তারপর কে হবে সবকিছুর মালিক তানিয়ে যুদ্ধ বেধে যাবে। আজকের এই খুনোখুনির পরিস্থিতির জন্য সেখানকার প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকেই দায়ী করছেন বাসিন্দারা।
কয়েকদিন আগে এক বিবৃতিতে বলসোনারো নিজের মুখেই বলেছেন, আমাজনের গভীর জঙ্গলে সোনা-সহ বিভিন্ন অমূল্য খনিজ রয়েছে। যার উত্তোলন খুব জরুরি। সেসব বিক্রি করে লাভবান হতে পারে আমাজন এলাকা। সেই লাভের ভাগ পাবে সেখানকার বাসিন্দারাও। এজন্য আমেরিকার সহায়তাও চেয়েছেন তিনি। অভিযোগ তারপর থেকেই আমাজনের গভীর অরণ্যের শান্ত জনজীবনে নেমে এসেছে অশান্তির কালো ছায়া।
পি/ব
No comments:
Post a Comment