এই দ্রুত লয়ের আধুনিক জীবনেও তেনারা আছেন! তবে শহরে নয়, গ্রামে। অন্তত তেমনটাই দাবি তেলেঙ্গানার নির্মল জেলার কাসিগুদা গ্রামের বাসিন্দাদের। ভূতের ভয়ে সেই গ্রাম ছেড়ে পালাচ্ছেন সবাই।
সবাই নয় অবশ্য, পুরুষরা। কারণ আক্রান্ত যে হচ্ছেন কেবল পুরুষরাই! এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যাচ্ছে, ৬০টি পরিবারের বাস রয়েছে গ্রামটিতে। পাথর কেটে ও ভেঙেই জীবিকা নির্বাহ করেন গ্রামের মানুষেরা। নিজেদের দারিদ্রকে মেনে নিয়ে ছোট্ট সেই গ্রামের মানুষরা শান্তিতেই দিন কাটাচ্ছিলেন। আচমকাই শুরু হয় ভূতের তাণ্ডব। একে একে আক্রান্ত হতে থাকেন গ্রামের পুরুষ বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য ভূতটি প্রেতিনী।
চলতি বাংলায় পেত্নী। সবুজে ঘেরা নিরিবিলি গ্রামটি আস্তে আস্তে হয়ে উঠতে থাকে ভুতুড়ে। গ্রামটি এই মুহূর্তে প্রায় পুরুষশূন্য়! যে দু-চারজন এখনও সাহস করে রয়ে গিয়েছেন, তাঁরাও দিন কাটাচ্ছেন রীতিমতো আতঙ্কের মধ্যে। সন্ধে নামার আগেই তাঁরা ঢুকে পড়ছেন বাড়ির মধ্যে। আর বেরচ্ছেন ভোরের আলো ফুটলে। গ্রামের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রশাসনও নড়েচড়ে বসেছে। নির্দেশ দিয়েছে তদন্তের।
তবে তাতে খুব বেশি আশ্বস্ত হননি কাসিগুদার মানুষেরা। অনেক বাড়িই একেবারে তালাবন্ধ হয়ে রয়েছে। গ্রাম ছেড়ে কাছেপিঠেই তাঁরা অপেক্ষায় রয়েছেন, কবে ভূতের তাণ্ডব কমবে। আর তাঁরা ফিরবেন বাড়িতে। এখনও সে রকম কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। বরং ভয় ক্রমে জাঁকিয়ে বসছে। রাত হলেই সে গ্রামের বাতাসে কার অস্তিত্ব যেন অনুভূত হতে থাকে! হাড় হিম করা আতঙ্ককে সঙ্গী করে রাত ফুরনোর অপেক্ষায় থাকেন গ্রামবাসীরা। ঘোর ইন্টারনেটের যুগেও বিজ্ঞানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ভারতের এই গ্রামে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ‘অশরীরী’রা!
pb
No comments:
Post a Comment