নুসরাত জাহানের বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলো। বৃহস্পতিবার রাতে ঝমকালো আয়োজনে পশ্চিমবঙ্গের বসুরহাটের এই সংসদ সদস্যের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কলকাতার ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের ধারের সাত তারা হোটেলে হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্বামী নিখিল জৈনের সঙ্গে নুসরাতের রসিকতা নজর এড়ায়নি কারো। বাদামী রঙের লেহেঙ্গায় এদিন দারুণ লেগেছে নুসরাত। সঙ্গে ছিল মানানসই গয়না। আর নিখিল পড়েছেন কালো রঙের পাঞ্জাবি।
গোটা অনুষ্ঠানে তাদের উৎফুল্ল দেখা গেছে। সবার সঙ্গে কথা বলেছেন, মিশেছেন, কুশল বিনিময় করেছেন। অনুষ্ঠানে ইতালিয়ান কুইজিনের পাশাপাশি ছিল বাঙালি মেনুও। এর আগে ১৯ জুন তুরস্কের বোদরুমে নুসরাত জাহান এবং নিখিল জৈনের বিয়ের আসর হয়। টালিউড থেকে নুসরতের বন্ধু অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ছাড়া আর কারও আমন্ত্রণ ছিল না সেখানে। তবে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে টালিউড, বলিউডের অনেক সেলিব্রেটি আমন্ত্রিত ছিলেন।
কালকের অনুষ্ঠানে অনেক নামিদামি অতিথি উপস্থিত ছিলেন। তবে সবার চেয়ে বেশি মজা করেছেন মিমি। নুসরাতের বিয়ে নিয়ে মিমির উচ্ছ্বসিত বক্তব্য, দিদির বিয়েতেও এত সাজিনি। আমি আর নুসরাত চার-পাঁচ বছর আগে যখন নিজেদের বিয়ে নিয়ে কথা বলতাম তখন থেকে পরিকল্পনা করেছিলাম কেমন সাজব। বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় নুসরাত ও নিখিল ছিলে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা। নুসরাতের দিকে তাকিয়ে নিখিল বললেন, 'ওর দায়িত্ব আমার।
ওকে ভাল রাখব সবসময়।' এ কথা শুনে সবাই হেসে উঠেন। বাইপাসের ধারের সাত তারা হোটেলের হাজার আলো বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যেন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠল স্ত্রী নুসরত জাহানকে পাশে নিয়ে নিখিল জৈনের বলা এই কথায়। কম যাননি নুসরাতও। মুচকি হেসে স্বামীর কথার জবাব দিলেন এভাবে, ‘সারা জীবন একই লোকের সঙ্গে কাটাতে হবে! বুঝতে পারছেন চাপটা? মিডিয়ার সামনে ও যা বলল সবাই মনে রাখবেন কিন্তু। এখানে সবাই কিন্তু আমার লোক, যা বলবে ভেবে বলো।
কে
No comments:
Post a Comment