৫৬, শরৎ বোস রোডের ধারে ‘দ্য থাই রিট্রিট’ স্পায়ের আড়ালে মধুচক্র চালানোর খবর পেয়ে হাতেনাতে সাত জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ৫৬, শরৎ বোস রোডের ধারে ‘দ্য থাই রিট্রিট’ নামে ওই স্পায়ে দীর্ঘদিন ধরেই মধুচক্র চলছিল বলে জানা গিয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, মঙ্গলবার সেখানে অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশের অ্যান্টি হিউম্যান ট্রাফিকিং ইউনিট। স্পা সেন্টারের ভেতরে তল্লাশি করতেই আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরা হয় দুজনকে। সেই সময় তারা দুই জন যৌনকর্মীর সঙ্গে যৌনক্রিয়ায় ব্যস্ত ছিল বলে পুলিশের দাবি।
বাইরে থেকে ঝাঁ চকচকে জাকজমকপূর্ণ একটি স্পা সেন্টার। দীর্ঘদিন ধরেই রমরমিয়ে চলছিল ‘দ্য থাই রিট্রিট’ নামে ওই স্পা। ভারতীয়দের পাশাপাশি সেখানে কাজ করতেন থাই নাগরিক মহিলারাও। রোজকার ব্যস্ত নাগরিক জীবনের ক্লান্তি মেটাতে অনেকেই মাঝে মধ্যে স্পায়ের সাহায্য নেন। কিন্তু এই স্পায়ের আড়ালেই শহরের কোণে কোণে গজিয়ে উঠেছে মধুচক্র কেন্দ্র। এর আগেও শহরের একাধিক স্পা সেন্টার থেকে মধুচক্র চালানোর অভিযোগে বহু জনকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ।
মঙ্গলবার শরৎ বোস রোডের এই স্পা সেন্টার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় স্পায়ের কর্ণধার, অ্যাসিস্টেন্ট ম্যানেজার ও এক কর্মীকে। উদ্ধার করা হয় তিন জন যৌনকর্মীকে। যাঁদের মধ্যে দুজন থাইল্যান্ডের নাগরিক বলে পুলিশ সূত্রে খবর। আপত্তিকর অবস্থায় আটক হওয়া দুই ব্যক্তিকেও গ্রেফতার করা হয়। ওই সেন্টারে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর কন্ডোম, ২৪ হাজার ২০০টাকা নগদ এবং বহু নথি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
এই স্পা সেন্টারে ভারতীয় দের পাশাপাশি থাই মহিলাদেরও মধুচক্রে ব্যাবহার করা হতো বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় বালিগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরেই ওই স্পা সেন্টারে যৌন চক্র সক্রিয় ছিল বলে মনে করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই বিষয়ে জেরা করা হচ্ছে ধৃতদের।
কে
No comments:
Post a Comment