শুক্রবার বিকেলে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার কামারপাড়া গ্রামে ভুয়ো পরিচয়ে পরকীয়ার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। সৌমিত্র নামে ওই যুবকের প্রায় ৬ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল। বাড়িতে রয়েছেন স্ত্রী, ৪ বছরের মেয়ে এবং মা। নিজের গাড়ি ভাড়া খাটায় সে। ভাতারের কাশীপুর গ্রামের এক বধূর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ হয় তার। ওই গৃহবধূ একটি বিউটি পার্লারে কাজ করেন। স্বামী পুরোহিত। এযাবৎ ফোনে ফোনেই প্রেমালাপ হত। মহিলার দাবি, টাকা হাতানোর লক্ষ্যে গৃহবধূর সঙ্গে সম্পর্ক রাখছিল সে৷ ওই যুবক নিজেকে শিক্ষক ও অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে প্রায় একবছর ধরে গৃহবধূর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল।
শেষে শর্ত হয়েছিল ১৫ ভরি সোনার গয়না এবং ১০ হাজার টাকা দিলে বিয়ে করবে বলে জানায় সে। দিনসাতেক আগে থেকেই বধূ তার মতলব ধরে ফেলেন। তারপর তিনি ছক কষতে থাকেন কীভাবে প্রতারককে উচিত শিক্ষা দেওয়া যায়। পরিবার ও প্রতিবেশীদের জানিয়ে রীতিমতো জাল ফেলে ধরা হল প্রতারককে। বিয়ের মালার পরিবর্তে পড়ানো হল জুতোর মালা। পোস্টে বেঁধে ঝাঁটাপেটাও করা হয় তাকে৷ সঙ্গে যোগ দিলেন স্থানীয়রাও। স্থানীয়রা সৌমিত্র কুণ্ডু নামে ওই যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তার বাড়ি ভাতারের কালীপাহারি গ্রামে।
পি/ব
No comments:
Post a Comment