
ভূতের বাসা কোথায়? ভূত বিশ্বাসীরা বলবেন, শ্মশান অথবা গোরস্থানই তাদের প্রিয় বাসস্থান হতে পারে। প্যারানর্মাল যুক্তি বলে, মৃত্যুর পরে অনেক আত্মা নাকি বিশ্বাসই করতে চায় না যে, তারা মারা গিয়েছে। তাই তাদের যেখানে অন্তিম সংস্কার হয়েছে, সেখানেই তারা ঘোরাফেরা করে, নিজের হারিয়ে যাওয়া দেহকে খোঁজে ইত্যাদি ইত্যাদি।
কিন্তু মুম্বইয়ের ‘বিদ্যার্থী সংঘটন’-এর সদস্যরা এই সব পরাযুক্তি মানতে নারাজ। তাঁরা ভূতের অস্তিত্বকে অপ্রমাণ করতে এক অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, এই যুবকরা স্থির করেছেন, তাঁরা ১১ অগস্ট, শনিবার অমাবস্যার রাতে মুম্বইয়ের ওয়াশিন্ড শ্মশানে মিলিত হবেন পিকনিকের উদ্দেশ্যে। পিকনিক শেষ হলে তাঁরা শ্মশানের এখানে ওখানে ভ্রমণ করবেন ভূত দেখার জন্য।
‘বিদ্যার্থী সংঘটন’-এর এমন পিকনিকের উদ্দেশ্য, ছাত্র সমাজকে ভূতের ভয়মুক্ত করা, অমাবস্যা এবং ভূত নিয়ে মনের গভীরে বাসা বেঁধে থাকা কুসংস্কারগুলো দূর করা। কল্যাণ, থানে, তিতওয়ালা থেকে প্রায় ১০০ ছাত্র এই পিকনিকে অংশ নিতে নাম নথিভুক্ত করেছে। একাদশ ও তদূর্ধ্ব শ্রেণির ছাত্রদেরকেই এই সুযোগ দিচ্ছে ‘বিদ্যার্থী সংঘটন’। শ্মশানে উদ্যোক্তারা বক্তৃতা ও ম্যাজিক শোয়েরও আয়োজন রেখেছেন।
উদ্যোক্তাদের তরফে বলা হয়েছে, বহু শিক্ষিত মানুষই ভূত-প্রেত সংক্রান্ত কুসংস্কারে ভোগেন। তাঁরা এই দশা থেকে সমাজকে মুক্ত করতে চান। তাই অমাবস্যার রাতে শ্মশানে পিকনিকের বন্দোবস্ত।
No comments:
Post a Comment