জ্যাকুলিনকে দেখে টিকটকে ভিডিও বানানোর চেষ্টা মিমির - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 13 June 2019

জ্যাকুলিনকে দেখে টিকটকে ভিডিও বানানোর চেষ্টা মিমির




বলিউড যা করে দেখায় গতকাল, টলিউড তাই করে দেখায় আগামীকাল। না না কোনও স্লোগান নয়। এটা একটা ফিলোজফি। যে দর্শনের উপরে ভরসা রেখেই তরতর এগিয়ে চলেছেন কলকাতা ফিলম ইন্ডাস্ট্রির ডাকসাইটে নায়িকারা। বলিউডকে কপি করার ক্ষেত্রে বলে আমায় দ্যাখ, তো বলে আমায় দ্যাখ। কেউ কারওর থেকে এক ইঞ্চি কম যান না। তা সে স্যোশাল প্লাটফর্মে যতই নিন্দে, ট্রোল হোক না কেন। যাবতীয় ট্রোলকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রমরমিয়ে টোকাটুকি চালাচ্ছেন কলকাতার নায়িকারা। 

মিমি চক্রবর্তী সম্প্রতি একটিটিক-টকভিডিও বানিয়ে স্যোশাল মিডিয়ার সাড়া ফেলে দিয়েছেন রীতিমতো। কারণ দুটো। এক, ভিডিওটি জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের কাছ থেকে ঝাঁপা। পুরো ফ্রেম টু ফ্রেম সাধ্য মতো কপি করে নামিয়ে দিয়েছেন মিমি। আর দ্বিতীয় কারণ হল, ভিডিওর বিষয়বস্তু। আগাগোড়া ভিডিওটিতে একাধিক জুতোর সুখতলা দেখিয়ে গিয়েছেন মিমি। আর এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছে তাঁর ফ্যানকুল। 


বলিউডকে কপি এই প্রথম নয়। তবে, এত দিন যা সীমাবদ্ধ ছিল বিয়ের সাজ, মেক আপ, স্টাইলের মধ্যে, এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে টিকটক-এও। স্যোশাল মিডিয়ারটিকটকবেশ জনপ্রিয় একটি অ্যাপ। পথপ্রদর্শক ছিলডাব-স্ম্যাশ অন্যের ভয়েসকে ডাব করে নিজের ভিডিও বানিয়ে তা পোস্টানো যেত। ওই পথ ধরেই তার পরে এলমিউজিক্যালি এই অ্যাপটিও চূড়ান্ত হিট হল টিন-এজ মহলে। যে কোনও গান, ডায়লগ, মিউজিকে লিপ দেওয়া, নাচ করা, এমনকী অভিনয় করাও চলে এল হাতের মুঠোও। বাড়তি পাওনা, টু উইন্ডো সিস্টেমে অন্য কারোর ভিডিওর সঙ্গে তা মার্জ করার সুবিধা। 

এই পথে সব থেকে কনিষ্ঠটিক-টকমিউজিক্যালি’- মার্কেট খেয়েটিক-টকবহাল তবিয়তে তার ডানা মেলেছে। লক্ষণীয়ভাবেটিক-টক’-এর ক্ষেত্রে সেলেব্রিটিরা বেশ উৎসাহ দেখান। অবশ্য নেপথ্য কারণটাও মজার। আসলেমিউজিক্যালিকরে একদল সেলেব্রিটির জন্ম দিয়েছিল স্যোশাল মিডিয়া। তাঁদের ফ্যান-ফলোয়ারস্ যে কোনও অভিনেতারই যথেষ্ট ঈর্ষার কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই টিকটক বাজারে আসতেই রূপোলি পর্দার সেলেবরা আর কোনও রিস্ক নেননি। কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছেন। এবার দেখে নেওয়া যাক, জ্যাকলিনেরটিক-টকভিডিওটি 


কিন্তু প্রশ্ন একটাই, বলিউডকে কপি করা বাধ্যতামূলক হয়ে উঠছে কেন? সামান্য টিকটক-এর মতো একটি অ্যাপে নিজের পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রেই বা নিজস্বতা থাকবে না কেন? দক্ষিণী ছবি কপি করা থেকে এখন সামান্য অ্যাপের ভিডিও বানাতে গেলেও বলিউডের রেফারেন্স লাগছে বাংলার এই দৈন্যদশা দেখে পাবলিক প্রতিক্রিয়া দিলেই বিপদ কিন্তু ডিজিট্যাল ইন্ডিয়ার জমানায় যখন সবটাই অনায়াস, নিমেষে উঁকি মারা যায় বেড়রুমের অন্দরে তখন অরিজিনাল হতে না পারলেও অন্তত কপি করার ক্ষেত্রেও সেলেবরা একটু সাবধান হতে পারেন না কি

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad