সন্দেশখালিতে বিজেপি কর্মীদের খুনের
অভিযোগে এবার লালবাজার অভিযানের ডাক
দিলো রাজ্য বিজেপি। ১২ জুন
এই কর্মসূচিতে শামিল হবেন শান্তনু ঠাকুর, জগন্নাথ সরকারের মতো
দলের বেশ কয়েকজন সাংসদ। এদিকে রবিবার বিজেপির অবরোধকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের
চেহারা নিল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ।
তবে শুধু কলকাতাই নয়,
এদিন দক্ষিণবঙ্গের
বিভিন্ন জেলাতেও পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা।
সন্দেশখালির ন্যাজাটে
সংঘর্ষের ঘটনায় সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ঘটনার আঁচ পৌঁছে গিয়েছে দিল্লিতেও। দলের
সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের কাছে ঘটনার রিপোর্ট পেশ করেছেন বিজেপি নেতা মুকুল
রায়। এরইমধ্যে আবার রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির
সঙ্গে বৈঠকে করতে দিল্লি উড়ে গিয়েছেন রাজ্যপাল।
বৈঠক হবে সোমবার। রবিবার
সকালে বসিরহাট হাসপাতালে যায় বঙ্গ বিজেপির এক প্রতিনিধিদল। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের
বিভিন্ন জায়গায় এক ঘণ্টা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান দলের কর্মী-সমর্থকরাও। মুখ্যমন্ত্রীর
কুশপুতুল দাহ করেন বিক্ষোভকারীরা। বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে
পড়েন বিজেপি কর্মীরা।
শুধু কলকাতাতেই নয়,
রবিবার দুপুরে উত্তর ২৪
পরগনার নৈহাটি, জগদ্দল,
বারাকপুরে পথ অবরোধ
করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। পথ অবরোধ হয় অশোকনগরের বিল্ডিং মোড় ও দত্তপুকুরেও।
জঙ্গলমহলের বাঁকুড়া শহর ও জেলার বিভিন্ন প্রান্তেও মুখে কালো কাপড় বেঁধে
বিক্ষোভে শামিল হন বিজেপি কর্মীরা। বাদ ছিল না উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িও।

No comments:
Post a Comment