সবসময় পায়ে পায়ে ঘুরে বেড়ানো তাদের স্বভাব। রান্নাঘর থেকে ড্রয়িংরুম যেখানেই যান, আপনার পিছু ছাড়তে নারাজ তারা। আর এভাবেই নিজের ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনল এক বিড়াল। যার জেরে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের শরনাপন্ন হতে হয় তাকে। এখনও তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক।
গত সপ্তাহে ঘটনাটি ঘটেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায়। জানা গিয়েছে, অন্যান্য দিনের মতোই ওইদিনও বাড়িতে খেলছিল স্টিফেন ক্যারোল কিচফের পোষ্য বিড়াল ফেলিক্স। সেই সময় ওয়াশিং মেশিনে জামা কাপড় কাচচ্ছিলেন তিনি। আচমকা বেপাত্তা হয়ে যায় তাঁর পোষ্যটি। সারা বাড়ি তন্নতন্ন করে খুঁজতে শুরু করেন তিনি। কিন্তু নাহ, কোথাও দেখা মেলেনি তার। খুঁজতে খুঁজতেই ঘড়ির কাঁটায় প্রায় ৩৫ মিনিট কেটে যায়। এরপরই ওয়াশিং মেশিন থেকে জামা কাপড় বের করতে গিয়েই চক্ষুচড়কগাছ স্টিফেনের। মেশিনের ভিতর থেকেই আচমকা বেরিয়ে আসে ফেলিক্স। কিন্তু আধ ঘণ্টারও বেশি সময় চলন্ত ওয়াশিং মেশিনের ভিতর থাকার জেরে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায় পোষ্যটি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে স্থানীয় পশু চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার যা অবস্থা, তাতে তাকে সুস্থ করে তুলতে প্রয়োজন প্রচুর অর্থ। তাই ইতিমধ্যেই একটি ফোরাম গঠন করা হয়েছে। সেই ফোরামের অর্থ সাহায্যেই আপাতত চিকিৎসা চলছে ফেলিক্সের।
কিন্তু, কিভাবে চোখ এড়িয়ে ওয়াশিং মেশিনে ঢুকল বিড়ালটি, তা এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না স্টিফেন। সর্বক্ষণের সঙ্গীর এই অবস্থায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন স্টিফেন ও তাঁর পরিবারের অন্যান্যরা। সবার উদ্দেশ্যে এখন তাঁদের একটাই আবেদন, পোষ্যরা কার্যত অবুঝ, তাই তাঁদের কথা ভেবে ওয়াশিং মেশিনের দরজা সবসময় বন্ধ রাখুন সবাই। ওয়াশিং মেশিন চালানোর আগেও দেখে নিন বারবার। নইলে ফেলিক্সের মতো পরিণতি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়৷ এই ফেলিক্স এখন কতদিনে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়, তার অপেক্ষায় স্টিফেন ও তার পরিবার।

No comments:
Post a Comment