দ্য প্যাটিক। অভিশপ্ত এক ঘড়ি। অনেকে এটাকে বলেন ‘দ্য গ্রেভস’ বা কবরের ঘড়ি। এর নাম দেয়া হয়েছে- মৃত্যু ঘড়ি। পুরোটাই নিরেট সোনার তৈরি এই ঘড়িটির দাম ১৫ মিলিয়ন পাউন্ড। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমনই ঘড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে কাতারে। ঘড়িটি সম্পর্কে জনশ্রুতি রয়েছে, এই ঘড়িটি তার মালিকের জীবনে মৃত্যু ডেকে আনে।
১৯২৫ সালে ঘড়িটি তৈরি করেন প্যাটিক ফিলিপ। দারুণ সুন্দর ঘড়িটিতে রয়েছে ক্যালেন্ডার, পূর্ণিমা ও আমাবস্যার হিসাব রাখার বিশেষ যন্ত্র এবং সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা। এছাড়া ঘড়িটিতে রয়েছে আরো ২৪টি অত্যাধুনিক ফিচার যা একমাত্র বহুমূল্যের ঘড়িটিতে দেখা যায়। ঘড়িটির কাঁটা থেকে শুরু করে সব যন্ত্রপাতিই নিরেট সোনার।। বিশ্বের সবচেয়ে দামি ঘড়ি হিসেবে এ পরিচিতি।
ঘড়িটির ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, প্রথম মালিক ছিলেন হেনরি গ্রেভস। তিনি ঘড়িটি কেনার কয়েক মাসের মাথায় মারা যান। এরপর ঘড়িটি আসে তার এক বন্ধুর কাছে তিনিও কয়েক মাসের মধ্যে মর্মান্তিক এক গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হন। এরপর ওই বন্ধুর ছেলের হাতে আসে ওই ঘড়িটি। ঘড়িটি পেয়ে তিনিও অত্যন্ত আন্দনিত হন। নিয়তির লিখন। ঘড়িটি পাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে তিনিও রহস্যজনকভাবে মারা যান।
দ্রুত সময় ও দিন পরিবর্তনের যুগে এই ঘড়িটির ভয়াবহতা প্রায় ভুলেই যেতে বসেছিলেন সবাই। কিন্তু সম্প্রতি ঘড়িটি কেনেন কাতার রাজপরিবারের বিশিষ্ট ব্যক্তি বিন মোহাম্মদ আস সানি। বয়স মাত্র ৪৮ বছর, বিলিয়নিয়ার। দেশে তিনি আর্টের সমঝদার ও গুণগ্রাহক বলেই পরিচিত। তাই লোভনীয় এই ঘড়িটি কেনা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারেননি তিনি। ঝোঁকের বশে কিনে ফেলেন ঘড়িটি।
ইন্টারনেটের ফাস্ট লাইফে ঘড়িটির ভয়াবহতার কথা সবাই ভুলে গেলেও ঘড়িটি কিন্তু মোটেই নিজের ইতিহাস ভোলেনি। সেটির প্রমাণও মিলল হাতেনাতে। ঘড়িটি কেনার মাত্র কয়েক দিন পরেই হৃদপিন্ডের জটিলতায় মারা গেলেন বিন মোহাম্মদ আস সানি। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে আবার একবার ‘দ্য গ্রেভস-’এর মালিকের স্থান হলো সেই গ্রেভ-এই অর্থাৎ কবরে।
১৯২৫ সালে ঘড়িটি তৈরি করেন প্যাটিক ফিলিপ। দারুণ সুন্দর ঘড়িটিতে রয়েছে ক্যালেন্ডার, পূর্ণিমা ও আমাবস্যার হিসাব রাখার বিশেষ যন্ত্র এবং সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা। এছাড়া ঘড়িটিতে রয়েছে আরো ২৪টি অত্যাধুনিক ফিচার যা একমাত্র বহুমূল্যের ঘড়িটিতে দেখা যায়। ঘড়িটির কাঁটা থেকে শুরু করে সব যন্ত্রপাতিই নিরেট সোনার।। বিশ্বের সবচেয়ে দামি ঘড়ি হিসেবে এ পরিচিতি।
ঘড়িটির ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, প্রথম মালিক ছিলেন হেনরি গ্রেভস। তিনি ঘড়িটি কেনার কয়েক মাসের মাথায় মারা যান। এরপর ঘড়িটি আসে তার এক বন্ধুর কাছে তিনিও কয়েক মাসের মধ্যে মর্মান্তিক এক গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত হন। এরপর ওই বন্ধুর ছেলের হাতে আসে ওই ঘড়িটি। ঘড়িটি পেয়ে তিনিও অত্যন্ত আন্দনিত হন। নিয়তির লিখন। ঘড়িটি পাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে তিনিও রহস্যজনকভাবে মারা যান।
দ্রুত সময় ও দিন পরিবর্তনের যুগে এই ঘড়িটির ভয়াবহতা প্রায় ভুলেই যেতে বসেছিলেন সবাই। কিন্তু সম্প্রতি ঘড়িটি কেনেন কাতার রাজপরিবারের বিশিষ্ট ব্যক্তি বিন মোহাম্মদ আস সানি। বয়স মাত্র ৪৮ বছর, বিলিয়নিয়ার। দেশে তিনি আর্টের সমঝদার ও গুণগ্রাহক বলেই পরিচিত। তাই লোভনীয় এই ঘড়িটি কেনা থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারেননি তিনি। ঝোঁকের বশে কিনে ফেলেন ঘড়িটি।
ইন্টারনেটের ফাস্ট লাইফে ঘড়িটির ভয়াবহতার কথা সবাই ভুলে গেলেও ঘড়িটি কিন্তু মোটেই নিজের ইতিহাস ভোলেনি। সেটির প্রমাণও মিলল হাতেনাতে। ঘড়িটি কেনার মাত্র কয়েক দিন পরেই হৃদপিন্ডের জটিলতায় মারা গেলেন বিন মোহাম্মদ আস সানি। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করে আবার একবার ‘দ্য গ্রেভস-’এর মালিকের স্থান হলো সেই গ্রেভ-এই অর্থাৎ কবরে।
from ap bangla | অ্যানালিটিক্যাল প্রেস | Analytical Press | http://bit.ly/31etQWs

No comments:
Post a Comment