নিজস্ব প্রতিনিধি,সন্দেশখালি
খুনিদের না আটকে মৃতদেহ আটকে সফল পুলিশ । নিমতলা শ্মশানে সতকারে নিয়ে যাওয়ার পথে দফায় দফায় বাঁধা দেওয়ায় বিজেপির দুই মৃত দেহ ফিরল গ্রামে।
পুলিশ র্যাফের ব্যারিকেড বাঁধা ভেঙে বিজেপির প্রতিনিধি দল বিজেপির মৃতদের নিয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এদিন বিকেলে বিজেপির সাংসদ সহ নেতাদের দল সন্দেশখালি থেকে মৃতদের দেহ নিয়ে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। মৃত দুই দেহের শববাহী যান নিয়ে আসার সময় পুলিশের বাঁধায় আটকে পড়ে।দুই দফায় পুলিশ দেহ আটকে রাখতে ব্যার্থ হলেও তৃতীয় দফায় আটকে ব্যর্থ হল বিজেপি নেতৃত্ব।
বিজেপির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলা কোনও গনতন্ত্র নেই। পুলিশ খুন আটকাতে পারে না। মৃত দেহ আটকাতে চেষ্টা করছে।
বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা, সায়ন্তন বসু, বিজেপির রাজ্যসভাপতি তথা সাংসদ দীলিপ ঘোষ, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ বিজেপির নেতৃত্ব মৃতদের পরিবারের সাথে কথা বলে ঠিক করে কলাকাতায় বিজেপির রাজ্য অফিসে মৃতদেহ আনা হবে।
মৃতদেহের শববাহী গাড়ি মালঞ্চ মোড়ে পৌঁছাতেই পুলিশ আটকায়। তখন বিজেপি কর্মীরা রাস্তা শব সতকারের সিদ্ধান্ত নেয়।এদিকে পুলিশ নবান্নের নির্দেশে সবদেহ আটকায়। রাস্তার ওপর পুলিশ তাদের গাড়ি রেখে পথ আটকায়। স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন উঠছে, মৃত দেহ কোথায় সতকার করা হবে তা পুলিশ ও সরকার ঠিক কি করে ? পুলিশের বাঁধা পেয়ে বিজেপি কর্মীরা রাস্তার ওপর দেহ নিয়ে পুলিশের বাঁধায় আটকে থাকে সে খবর পাওয়া মাত্রই আশপাশের এলাকা থেকে বিজেপি কর্মী ও সাধরণ মানুষ বাসন্তি হাইওয়ে ধরে মালঞ্চর দিকে রওনা হচ্ছে। সন্ধে গড়াতেই ভিড় বাড়ছে।
বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা রাহুল সিনহা বলেন, পুলিশ মৃতদেহ না আটকে খুনিদের আটকাক। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যে পার হতে পুলিশের দীর্ঘ বাঁধায় কান্নায় ভেঙে পড়ে মৃতদের আত্মীয়রা। কাঁদতে কাঁদতে অসুস্হ হয়ে পড়লে বিজেপি নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত বদল করে গ্রামে দুই মৃত দেহ পাঠিয়ে দেয়।জানাগেছে রাতেই সতকার করা হবে বিজেপির দুই কর্মীর দেহ।

No comments:
Post a Comment