মূলত ঋতু পরিবর্তনের ফলে অথবা যাদের ঠাণ্ডা লাগার প্রবণতা আছে তাঁদের দেখা যায় টনসিলের সমস্যা। টনসিল বাড়লে ঢোক গিলতে প্রচন্ড কষ্ট হয়। মুখ-গলা, নাক, কান দিয়ে শরীরের অভ্যন্তরে জীবাণু প্রবেশে বাধা দেয় এই টনসিল। তাই টনসিল আক্রান্ত হলে জীবাণুর প্রকোপ বাড়ে, বাড়ে অন্যান্য অসুখের ভয়ও। টনসিলের সংক্রমণ দু’-এক দিনে কাটেও না। বর্তমানে মানুষের ব্যস্ততা এবং অলসতার জেরে ঘরোয়া টোটকা কেউ ব্যবহার না করে বাজারে থাকা সহজলভ্য দামের বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু কেউ যদি মনে করে তাহলে সে ওষুধ ব্যবহার না করে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতির সাহায্যে এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারে।
যেমন লেবু, শরীরের টক্সিন দূর করতে খুব উপকারী। তাই টনসিলে সংক্রমণ হলে বা গলায় ব্যথা হলে হালকা গরম জলে এক চামচ লেবুর রস, এক চামচ মধু ও সামান্য লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। লবণ অ্যান্টি সেপটিক। তাই শরীরের অভ্যন্তরের সংক্রমণে লবণ খুব কার্যকর। এই মিশ্রণটি সেবন করলে টনসিলের সমস্যা কমবে সহজে। ‘হলুদ’ টিস্যুকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। তাই গলার ব্যথা কমাতে অনেকেই ঘরোয়া উপায়ে এর ব্যবহার করেন। সেক্ষেত্রে এক কাপ দুধে সামান্য হলুদ মেশান। তার পর সেই দুধ ফুটিয়ে গরম গরম খান। এই হলুদ মেশানো দুধ টনসিলের সংক্রমণ বা গলা ব্যথার ক্ষেত্রে খুব কার্যকর। টনসিলের সমস্যা হলে গ্রিন টির মধ্যে দুই চামচ মধু মিশিয়ে ফোটান। মধুর অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল উপাদানের সঙ্গে গ্রিন টির অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মিশে টনসিলকে আরাম দেয়।
যেমন লেবু, শরীরের টক্সিন দূর করতে খুব উপকারী। তাই টনসিলে সংক্রমণ হলে বা গলায় ব্যথা হলে হালকা গরম জলে এক চামচ লেবুর রস, এক চামচ মধু ও সামান্য লবণ ভালো করে মিশিয়ে নিন। লবণ অ্যান্টি সেপটিক। তাই শরীরের অভ্যন্তরের সংক্রমণে লবণ খুব কার্যকর। এই মিশ্রণটি সেবন করলে টনসিলের সমস্যা কমবে সহজে। ‘হলুদ’ টিস্যুকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করে। তাই গলার ব্যথা কমাতে অনেকেই ঘরোয়া উপায়ে এর ব্যবহার করেন। সেক্ষেত্রে এক কাপ দুধে সামান্য হলুদ মেশান। তার পর সেই দুধ ফুটিয়ে গরম গরম খান। এই হলুদ মেশানো দুধ টনসিলের সংক্রমণ বা গলা ব্যথার ক্ষেত্রে খুব কার্যকর। টনসিলের সমস্যা হলে গ্রিন টির মধ্যে দুই চামচ মধু মিশিয়ে ফোটান। মধুর অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল উপাদানের সঙ্গে গ্রিন টির অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান মিশে টনসিলকে আরাম দেয়।

No comments:
Post a Comment