ব্যস্ত জীবনে আপনার স্বামী অফিসে একের পর-এক প্রোমোশন পেয়ে এগিয়ে চলেছেন, আর বাড়িতে এসে বিছানায় ল্যাপটপ নিয়ে ব্যস্ত না অথবা আপনার দিকে পাশ ফিরে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছেন! ছুটির দিনগুলোতেও খালি পড়ে পড়ে ঘুম, এবং সন্ধে হলেই অফিসের কলিগরা বাড়িতে এসে আসর জমাচ্ছেন… স্ত্রীও আছেন এসবের মাঝে। কিন্তু তাঁর দিকে কর্তার বিশেষ কোনও নজর নেই। রাতে শোওয়ার সময় কাছে আসার চেষ্টা করেও তেমন লাভ হয়নি কারণ একদিন ছুটি পেয়ে স্বাভাবিক ভাবে ক্লান্ত। এই অবস্থায় স্ত্রী ভাবছে হয়তো মনে নির্ঘাত তাঁর স্বামী কারোর সঙ্গে কিছু করে বেরাচ্ছে।
এমনটা কিন্তু নয় কারণ পদের পরিবর্তনে সাথে সাথে দায়িত্বও বেড়েছে তাঁর। অতএব সময় কোথায়? সারাদিন কাজের চাপে মাথাও তোলেন না তিনি। প্রোমোশনের আনন্দে পার্টিও দেন আবার স্ত্রীর সমস্ত চাহিদা এবং সুখের দিকেও খেয়াল রাখেন। কিন্তু সব সুখ তো আর মেটিরিয়াল দিয়ে হয় না। রাত হলেই শ্রীপতিদেব কুম্ভকর্ণ স্টাইলে, নাসিকা গর্জনে নিদ্রা যান। এযুগের এ এক বড় সমস্যা। এখনকার দিনে পতিদেবের মিলনবিদ্বেষে নাকি অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন। রয়েছে প্রচুর প্রতিপত্তি, অর্থ। কিন্তু মিলনেচ্ছা নেই বললেই চলে। আবার সেখানে একটা ইন্টারেস্টিং অ্যাসপেক্ট আছে। যেদিন ইচ্ছাপ্রকাশ করেন, সেদিন নাকি আবার অ্যাগ্রেসিভ মূর্তি ধারণ করেন। সেটাও খুব একটা সুখকর নয় উভয়ের সম্পর্কের ওপর।
অফিসের উচ্চপদস্থদের সেক্স লাইফের বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছে লন্ডনের একটি বেসরকারি সংস্থা। গবেষণা বলছে, কর্মস্থলে বেশি উন্নতি মানেই যৌন জীবনে ব্যাঘাত।সমীক্ষায় দেখা গেছে, যাঁদের বার্ষিক আয় অন্তত ৫০ লাখ, তাঁদের তিন ভাগের এক ভাগ সপ্তাহে মাত্র একবার মিলিত হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন৷ যাঁদের বার্ষিক আয় ১৫ থেকে ৩৫ লাখ, তাঁদের ৫৪ শতাংশই এক সপ্তাহে বেশ কয়েকবার ইন্টারকোর্স করে থাকেন৷ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বেশি রোজগেরেরা ক্যারিয়ারে উন্নতির চিন্তা নিয়ে এতটাই মগ্ন থাকেন, যে প্রতিদিনের সেক্সের স্পৃহাই হারিয়ে ফেলেন৷ কিন্তু যখনই তাঁদের সেক্সের মুড আসে, সেটা ওয়াইল্ডনেসের পর্যায় পৌঁছে যায়৷ সেক্স নিয়ে নানারকম এক্সপেরিমেন্টও নাকি শুরু করেন তখন কেউ কেউ৷ একসঙ্গে একাধিক পার্টনার – থ্রিসাম, ফোরসাম, সোয়াপিং… ইত্যাদি। সাধারণ প্লেজ়ারে তাঁরা নাকি আর প্লিজ়ড্ হচ্ছেন না। যদিও এই সমীক্ষা সব দেশের ক্ষেত্রে এক নাও হতে পারে।
এমনটা কিন্তু নয় কারণ পদের পরিবর্তনে সাথে সাথে দায়িত্বও বেড়েছে তাঁর। অতএব সময় কোথায়? সারাদিন কাজের চাপে মাথাও তোলেন না তিনি। প্রোমোশনের আনন্দে পার্টিও দেন আবার স্ত্রীর সমস্ত চাহিদা এবং সুখের দিকেও খেয়াল রাখেন। কিন্তু সব সুখ তো আর মেটিরিয়াল দিয়ে হয় না। রাত হলেই শ্রীপতিদেব কুম্ভকর্ণ স্টাইলে, নাসিকা গর্জনে নিদ্রা যান। এযুগের এ এক বড় সমস্যা। এখনকার দিনে পতিদেবের মিলনবিদ্বেষে নাকি অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়েন। রয়েছে প্রচুর প্রতিপত্তি, অর্থ। কিন্তু মিলনেচ্ছা নেই বললেই চলে। আবার সেখানে একটা ইন্টারেস্টিং অ্যাসপেক্ট আছে। যেদিন ইচ্ছাপ্রকাশ করেন, সেদিন নাকি আবার অ্যাগ্রেসিভ মূর্তি ধারণ করেন। সেটাও খুব একটা সুখকর নয় উভয়ের সম্পর্কের ওপর।
অফিসের উচ্চপদস্থদের সেক্স লাইফের বিষয় নিয়ে গবেষণা করেছে লন্ডনের একটি বেসরকারি সংস্থা। গবেষণা বলছে, কর্মস্থলে বেশি উন্নতি মানেই যৌন জীবনে ব্যাঘাত।সমীক্ষায় দেখা গেছে, যাঁদের বার্ষিক আয় অন্তত ৫০ লাখ, তাঁদের তিন ভাগের এক ভাগ সপ্তাহে মাত্র একবার মিলিত হওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন৷ যাঁদের বার্ষিক আয় ১৫ থেকে ৩৫ লাখ, তাঁদের ৫৪ শতাংশই এক সপ্তাহে বেশ কয়েকবার ইন্টারকোর্স করে থাকেন৷ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বেশি রোজগেরেরা ক্যারিয়ারে উন্নতির চিন্তা নিয়ে এতটাই মগ্ন থাকেন, যে প্রতিদিনের সেক্সের স্পৃহাই হারিয়ে ফেলেন৷ কিন্তু যখনই তাঁদের সেক্সের মুড আসে, সেটা ওয়াইল্ডনেসের পর্যায় পৌঁছে যায়৷ সেক্স নিয়ে নানারকম এক্সপেরিমেন্টও নাকি শুরু করেন তখন কেউ কেউ৷ একসঙ্গে একাধিক পার্টনার – থ্রিসাম, ফোরসাম, সোয়াপিং… ইত্যাদি। সাধারণ প্লেজ়ারে তাঁরা নাকি আর প্লিজ়ড্ হচ্ছেন না। যদিও এই সমীক্ষা সব দেশের ক্ষেত্রে এক নাও হতে পারে।

No comments:
Post a Comment