জানলে অবাক হবেন, বহুরোগ নিরাময়ের ক্ষমতা এবং একাধিক ঔষধি গুণ রয়েছে তুলসি পাতায়। ছোটোখাটো অনেক রোগের ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয় তুলসি পাতা। ছোটবড় মিলিয়ে এমনই বহু শারীরীক সমস্যার প্রতিকার হিসেবে তুলসি পাতার ব্যবহার হয়ে থাকে। যেমন গলা ব্যাথার সমস্যায় সামান্য গরম জলেতে তুলসি পাতা সেদ্ধ করে নিয়ে, সেই জল দিয়ে কুলকুচি করলে বা জল খেতে পারলে গলার ব্যাথা দ্রুত সেরে যাবে। আবার সর্দি-কাশি প্রায় প্রত্যেকটি মরশুমে খুব সাধারণ একটি সমস্যা যা সবাইকে কষ্ট দেয়। এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে গেলে তুলসি পাতা ৫ মিনিট ধরে চিবিয়ে রসটি গিলে নিন। এছাড়া ত্বকে ব্রণর সমস্যা সমাধানের একটি সহজলভ্য ও অন্যতম উপাদান হল তুলসিপাতা।
তুলসি পাতার পেস্ট তৈরি করে তা ত্বকে লাগালে এই সমস্যাগুলি অনেকটাই কমে যায়। তুলসি পাতা সব থেকে বেশি যে অসুখের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করে তা হল জ্বর। চায়ে তুলসিপাতা সেদ্ধ করে সেই পাণীয় যদি পান করেন, তবে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু প্রভৃতি অসুখ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। এ ছাড়াও নানা রকম অ্যালার্জির সমস্যায় তুলসিপাতা অত্যন্ত কার্যকর। রক্তের ইউরিক এসিড-এর লেভেলকে কমতে সাহায্য করে কিডনিকে পরিষ্কার করে তুলসী পাতা। তুলসীর অ্যাসেটিক এসিড এবং এসেনশিয়াল অয়েল এর উপাদান গুলো কিডনির পাথর ভাঙতে সাহায্য করে ও ব্যাথা কমায়। কিডনির পাথর দূর করার জন্য প্রতিদিন তুলসী পাতার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে হবে। এভাবে নিয়মিত ৬ মাস খেলে কিডনি পাথর দূর হবে।
তুলসি পাতার পেস্ট তৈরি করে তা ত্বকে লাগালে এই সমস্যাগুলি অনেকটাই কমে যায়। তুলসি পাতা সব থেকে বেশি যে অসুখের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করে তা হল জ্বর। চায়ে তুলসিপাতা সেদ্ধ করে সেই পাণীয় যদি পান করেন, তবে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু প্রভৃতি অসুখ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। এ ছাড়াও নানা রকম অ্যালার্জির সমস্যায় তুলসিপাতা অত্যন্ত কার্যকর। রক্তের ইউরিক এসিড-এর লেভেলকে কমতে সাহায্য করে কিডনিকে পরিষ্কার করে তুলসী পাতা। তুলসীর অ্যাসেটিক এসিড এবং এসেনশিয়াল অয়েল এর উপাদান গুলো কিডনির পাথর ভাঙতে সাহায্য করে ও ব্যাথা কমায়। কিডনির পাথর দূর করার জন্য প্রতিদিন তুলসী পাতার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেতে হবে। এভাবে নিয়মিত ৬ মাস খেলে কিডনি পাথর দূর হবে।

No comments:
Post a Comment