বারাসতের দ্বীজহরি দাস কলোনিতে পুলিশ বাসিন্দা সংঘর্ষ।আহত চার পুলিশ।
পুলিশ সুত্রের খবর , তৃণমূলের কর্মী স্বপন চক্রবর্তী ওরফে ঠাকুরকে রাত আটটা নাগাদ দ্বীজহরিদাস কলোনির একটি ক্লাবে তুলে নিয়ে যায়। অভিযোগ তাকে বিজেপির কর্মীরা তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়।খবর পেয়ে বারাসত থানার পুলিশ কম সংখ্যক বাহিনী থাকায় ঠাকুর দাসকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। পরে বিশাল বাহিনী উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় ইট বৃষ্টি শুরু করে।ছোঁড়া হয় বোমা।তখন পুলিশ ব্যাপক লাঠি চার্য করলে আহত হয় ২৫ বাসিন্দা। পরে পুলিশ টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে । উল্টো দিকে পুলিশ যাতে ঢুকতে না পারে সেজন্য ব্যাপক বোম্বিং করে, রাস্তায় ইট ফেলে রাখে বিজেপি সহ বাসিন্দারা।পরে পুলিশ র্যাপ ও কমব্যাট ফোর্স গিয়ে দশ বিজেপি সদস্যকে গ্রেফতার করে। উত্তর চব্বিশ পরগনার বারাসতের এসপি অফিসের পাশে দ্বীজহরিদাস কলোনিতে কি করে বিপুল পরিমান বোমা মজুত তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
বিজেপি ও বাসিন্দাদের আক্রমণে চার পুলিশ কর্মী আহত হয়।আহতদের বারাসত হাসপাতালে নিয়ে গেলে দুই পুলিশ কর্মী হারান চন্দ্র সরকার ও অজয় দাসের অবস্হা খারাপ হলে বারাসতের একটি বেসরকারী হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনা স্হলে বারাসতের চারপাশের বিভিন্ন থানার আইসি ওসি সহ পদস্হ পুলিশের আধিকারিকরা বিশাল বাহিনীর সাথে মোতায়েন থাকে।

No comments:
Post a Comment