YELLOW TALK আগুন নেভানোর এই যন্ত্রের ব্যবহার - pcn page old

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 7 May 2019

YELLOW TALK আগুন নেভানোর এই যন্ত্রের ব্যবহার



অফিস, কারখানা, সুপার শপ কিংবা রেস্টুরেন্টে প্রতিনিয়তই চোখে পড়ে ছোট্ট লাল সিলিন্ডার এই লাল সিলিন্ডারের ভেতরে থাকা উপাদান আগুন নেভাতে সাহায্য করে ইংরেজিতে যাকে ‘ফায়ার এক্সটিংগুইসার’ বলা হয় এমনটাই জানেন সবাই কিন্তু এই সিলিন্ডার কীভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটা আমরা অনেই জানিনা
আগুন লাগার প্রাথমিক অবস্থাতেই আগুনের উপর ফায়ার এক্সটিংগুইসার প্রয়োগ করতে হয় এর হ্যান্ডেল ডান হাতে ধরে বাম হাত দিয়ে টান দিয়ে সেফটি পিন খুলে ফেলতে হবে এরপর বাম হাতে হোস পাইপ আগুনের দিকে তাক করে ডান হাত দিয়ে বাটন বা লিভার চাপতে হয়
প্রকারভেদ: প্রতিটি ফায়ার এক্সটিংগুইসারের গায়ে লেখা থাকে তাতে কী ধরনের কেমিক্যাল রয়েছে সিলিন্ডারের গায়ের রং দেখেও বুঝা যায় তা কী ধরনের এক্সটিংগুইসার যেমন- লাল রং হচ্ছে ওয়াটার টাইপ, ক্রীম কালার হচ্ছে ফোম টাইপ, কালো রং হচ্ছে কার্বন-ডাই-অক্সাইড টাইপ এবং নীল রঙের এক্সটিংগুইসার হচ্ছে পাউডার টাইপ
সতর্কতা: ফায়ার এক্সটিংগুইসার সবসময় বাতাসের অনুকূলে থেকে প্রয়োগ করতে হয় যাতে কেমিকেল পাউডার বা গ্যাস বা ফোম উড়ে এসে নিজের গায়ে না পড়ে আগুনের উৎপত্তিস্থলের সর্বোচ্চ ২ মিটার দূর থেকে ফায়ার এক্সটিংগুইসার প্রয়োগ করতে হয় আগুন ছোট অবস্থায় থাকতে ফায়ারম্যানের অপেক্ষায় না থেকে হাতের কাছে থাকা ফায়ার এক্সটিংগুইসারের মাধ্যমে আগুন নেভানো যায়
কার্বন-ডাই-অক্সাইড টাইপ এক্সটিংগুইসার প্রয়োগ করা হলে আগুন নিভুক বা না-নিভুক, ঘটনাস্থলে বেশি সময় অপেক্ষা করা যাবে না নির্গত কার্বন-ডাই-অক্সাইড খুব তাড়াতাড়ি আশপাশে অবস্থানকারী ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাসে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে উন্মুক্ত স্থানে বা ধাবমান বাতাসযুক্ত স্থানে কার্বন-ডাই-অক্সাইড টাইপ এক্সটিংগুইসার প্রয়োগ খুব একটা কার্যকর হয় না এক্ষেত্রে বালি বা পানি (প্রয়োজন অনুযায়ী) ব্যবহারই উত্তম
অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়াতে হাতের কাছে ফায়ার এক্সটিংগুইসার রাখতে ও ব্যবহার করতে ভুলবেন না


from মিস বাংলা http://bit.ly/2V85DwG

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad