জয়া আহসানের কারণে কলকাতার অনেক অভিনয়শিল্পীর মাথা গরম হয়ে গেছে। ঢাকা নায়িকা সেখানে পরপর ছবি করছেন বলেই এই সমস্যা। এমন তথ্য দিলো স্থানীয় আনন্দবাজার পত্রিকা।
সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে পত্রিকাটিকে এ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, “দেখুন জয়া আহসানকে যেমন এই ইন্ডাস্ট্রির দরকার, তেমন অন্য অভিনেত্রীদের দরকার। কেউ কারো জায়গা কেড়ে নিতে পারে না। আবার কেউ কারো পরিপূরক নয়। আমি তো কোয়েল বা নুসরাতকে দেখে অবাক হয়ে যাই। ওরা যেভাবে পারফর্ম করে, আমি তো পারি না।”
সামনে মুক্তি পাচ্ছে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় পরিচালিত ‘কণ্ঠ’। এ ছবিতে স্পিচ থেরাপিস্টের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া। এ চরিত্রের প্রস্তুতি সম্পর্কে বলেন, “আমার করা বাকি ছবির চেয়ে ‘কণ্ঠ’ আলাদা। সম্পর্কের টানাপোড়েনের গল্প তো অনেক করলাম। ‘কণ্ঠ’ ভীষণ ইন্সপায়ারিং একটা ছবি। ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পও বলে। স্পিচ থেরাপিস্টের চরিত্রের জন্য ওয়ার্কশপ করেছি। তা ছাড়া শিবুদা-নন্দিতাদি তো ছিলেনই।”
আপনার বাংলার সঙ্গে কলকাতার বাংলার ডায়লেক্টে তফাত আছে। এটা কি কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে?- এমন প্রশ্নে বলেন, “প্রথমে করত। সেই জড়তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছি। এই শহরের সঙ্গে আত্মীয়তা তৈরি হয়েছে। এখানে এলে আপনাদের মতো করে কথা বলি। আবার বাংলাদেশে ওখানকার মতো।”
কলকাতায় অভিনীত ছবির মধ্যে বিসর্জন, এক যে ছিল রাজা, কণ্ঠ, আবর্ত, ও ভালবাসার শহর পছন্দের বলে জানান জয়া।
প্রথম সারির তিন পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে বলেন, “তিনজনেই খুব সংবেদনশীল মানুষ। মাস আর ক্লাসকে কী করে মেলাতে হয় শিবুদা-নন্দিতাদি দেখিয়ে দিয়েছেন। কৌশিকদা খুব অর্গানাইজড। আর সৃজিত তো কাজ পাগল। মাঝে মধ্যে ভাবি, উনি এত কাজ কী ভাবে করেন!”
কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে আপনাকে নিয়ে অনেক চর্চা চলে। এ ব্যাপারে ওয়াকিবহাল? এমন প্রশ্নে বলেন, “কেউ সামনাসামনি বলেনি। আসলে এগুলো শুনলে আমার লজ্জা লাগে। নিজেকে হীন মনে হয়। কেউ সামনে বললে ঝাড় দিতাম। বলতাম, ‘কও কী?’ আর খুব ঝাড় দিতাম।”from মিস বাংলা http://bit.ly/2Ws4wcN

No comments:
Post a Comment