১। নিজের আর্থিক অবস্থা ঃ- কোন মানুষেরই সব সময় আর্থিক অবস্থা ভালো যায়না। কখনো ভালো থাকে তো কখনো খারাপ। কিন্তু আর্থিক অবস্থা যতই খারাপ হোক না কেন তা অন্য কারোর কাছে বলতে নেই। নিজের সম্পদের কথা নিজের কাছেই রাখা উচিত।
আপনার এই অসময়ে আপনাকে কেউ সাহায্য করতে আসবে না, এটি এক মিথ্যা সাহায্যের আশ্বাস দেবে। কারন আপনি যার কাছে আপনার আর্থিক দারিদ্রতার কথা বলবেন তার কাছে হয়তো দরিদ্র কোন মর্যাদা পায় না।
২। ব্যাক্তিগত সমস্যা ঃ- চাণক্যের মতে নিজের ব্যাক্তিগত সমস্যার কথা কখনো কাউকে জানানো উচিত না। যারা জানায় তারা অন্য ব্যাক্তির কাছে নিচু ও বিরক্তিকর হিসাবে চিহ্নিত হয়। আড়ালে গিয়ে আপনার সমস্যার কথা বলে সমালোচনা করে।
নিজের স্বামী বা স্ত্রীর সম্বন্ধে কোন খারাপ কথা অন্যকে বলতে নেই। আপনি যাকে এই কথা বলবেন সে ভাবতে পারে আপনি কোন অভিপ্রায় নিয়ে তাকে এসব কথা বলছেন। যারা জ্ঞানী ব্যাক্তি তারা আমৃত্যু কোন গোপন কথা গোপনই রাখেন।
৩। নীচ কর্তৃক অপমান ঃ- আপনি যদি আপনার নীচ পদস্থ কোন ব্যাক্তির কাছে অপমানিত হন তাহলে সে কথা কাউকে না বলাই ভালো। কারন আপনি যদি কাউকে এই কথা বলেন, হতে পারে সে জনসমক্ষে সেই কথা বলে আপনাকে নিয়ে হাসাহাসি করতে পারে।
৪। পুত্র সম্পর্কীয় ঃ- আদর দেওয়ার অনেক দোষ, শাসন করা অনেক গুন। তাই পুত্র হোক বা শিষ্য তাকে শাসন করাই দরকার, আদর করা নয়। পুত্রকে সব সময় সুশিক্ষা দেওয়া উচিত। কারন এক শত মূর্খ পুত্রের থেকে একটি জ্ঞানী পূত্র ভালো।
from মিস বাংলা http://bit.ly/2GWkYvg

No comments:
Post a Comment