
বসিরহাটে স্বামী পরিচয় দিয়ে মর্গে গৃহবধূর মৃতদেহ নেওয়ার চেষ্টা, যুবক গ্রেফতার । বসিরহাট মহকুমার ন্যাজাট থানার নিত্য বেড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা বছর ২৭ এর গৃহবধূ পম্পা দাশ, বাপের বাড়ি সুন্দরবনের হেমনগর থানার ঘটিহারা গ্রামে। স্বামী সুশান্ত দাশের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছিল বসিরহাট মহকুমা আদালতে। শ্বশুরবাড়ি ন্যাজাট থানার নিত্য বেড়িয়া গ্রামে। বধূ পম্পা মধ্যমগ্রামে টেলারিং এর কাজ করতো, সেই সুবাদে মিলন মন্ডল ২৮ বছরের যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয়। গত দু'বছর বছর ধরে মিলনের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে পম্পা। এই সম্পর্ক জানাজানি হতেই স্বামী সুশান্ত দাশের সঙ্গে পম্পা বিবাহ বিচ্ছেদ মামলা শুরু হয়। আদালতে বিচারাধীন মামলা। এই দু বছরের মধ্যে পম্পার সঙ্গে মিলনের প্রেম ঘনীভূত হয়। আস্তে আস্তে দীর্ঘতর ভালোবাসায় রূপান্তরিত হয় দুই সন্তানের জননী পম্পা। কিন্তু বাবা সুশান্ত মাঝে মাঝে সন্তানদের টানে পম্পার বাড়িতে যেত কিন্তু তার মধ্যে এই বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা এক চরম পরিণতি হল। রবিবার সকালে পম্পাকে টেলিফোন মারফত মিলন ডেকে আনে যোগেশগঞ্জ। বিকেল চারটে নাগাদ পম্পার ঝুলন্ত দেহ মিলনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের দাবি ও তাকে পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে ডেকে এনে মিলন মারধর করে শ্বাসরোধ করে খুন করে। এমনকি দেহ লোপাট করার জন্য বসিরহাট মহকুমা আদালতে পুলিশ মর্গে এসে স্বামী বলে পরিচয় দিয়ে মৃতদেহ নিয়ে চম্পট দেয়ার চেষ্টা করে। সেইসময় মৃত বধূর দাদা ও দিদি দীপক জানা ও মিনতি মাইতি এইসব বানচাল করে হাতে নাতে ধরা পড়ে মিলন। মিলনের এক বন্ধু পিন্টু অধিকারী তাদের কে আটকে রেখে মারধর দিয়ে বসিরহাট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ধৃত যুবক মিলন মন্ডল ও পিন্টু অধিকারীকে পুলিশ আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কি কারণে বধু পম্পাকে খুন করল এর পিছনে কি কারণ রয়েছে সেটাও জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। মৃতদেহটিকে তুলে দিয়েছে হেমনগর থানার পুলিশ। বধূর বাবা খুনের অভিযোগ করেছে মিলন ও তার বন্ধু পিন্টু অধিকারীর বিরুদ্ধে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
from Breaking Kolkata http://bit.ly/2LnxCc7
No comments:
Post a Comment