বিনোদন ডেস্ক : প্রায় তিন দশক পার করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী। শিগগিরই মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন ছবি ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন কৌশিক গাঙ্গুলী। এ ছবিতে অভিনয় করার মাধ্যম কৌশিক গাঙ্গুরীর পরপর তিনটি ছবিতে অভিনয় করলেন প্রসেনজিৎ। জানতে চাইলে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে যেখানে আমি আর কৌশিক দুটি আলাদা ছবির জন্য পুরস্কৃত হয়েছিলাম, সেখানে মঞ্চে দাঁড়িয়ে কৌশিকের সামনেই বলেছিলাম, এই ভদ্রলোক তো মনে করেন, আমাকে নিয়ে ছবি করা যায় না! এর আগেও যেখানেই ওর সঙ্গে দেখা হয়েছে, আমি এটা বলে মজা করতাম। কৌশিক বলত, ঋতুদা, সৃজিত তোমাকে নিয়ে দারুণ সব ছবি করেছে। সেই ধারা বজায় রেখে এমন ছবি করতে হবে, যেখানে ছবি ও তোমার চরিত্রের মাত্রা বজায় থাকে।’
আপনাকে কাস্ট করতে গিয়ে গ্ল্যামারের দিকে বেশি ঝুঁকেছেন কৌশিক? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যখন ‘রাম লক্ষ্মণ’-এর মতো ছবি করেছি, তখন ‘চোখের বালি’ও করেছি। আমি বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের তিনটে ছবি করেছি। গৌতম ঘোষ যখন ‘মনের মানুষ’ করলেন, তার আগে কেউ ভাবতে পারেনি আমি লালন ফকিরের চরিত্র করতে পারব! এই প্রজন্মের পরিচালকেরা একটা কথা বুঝে গিয়েছেন, প্রসেনজিৎ পূর্ণ অভিনেতা। যাকে যে কোনও ভাবে ভাঙাচোরা করা যেতে পারে। শুধু গ্ল্যামার কোশেন্ট দিয়ে চরিত্র করা যায় না। ছবি বিশেষে গল্প বলার মোড়কটা পাল্টায়। ‘জ্যেষ্ঠপুত্র’-এ আমার চরিত্রের ব্যাকগ্রাউন্ডে গ্ল্যামার রয়েছে। তবে সেটা গল্পের খাতিরে।
‘জ্যেষ্ঠপুত্র’ ছবিতে প্রথমবার ঋত্বিক চক্রবর্তীর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন প্রসেনজিৎ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঋত্বিকের মতো অভিনেতা বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে আছে বলে আমরা গর্বিত। আমার মতে, দেশের প্রথম ২০-২৫ জন বড় অভিনেতার মধ্যে ও একজন। এটা যেমন ঠিক, তেমন এটাও ঠিক একটা সময়ের পর থেকে দর্শক পর্দায় প্রসেনজিৎ-ঋত্বিককে দেখবেন না। দেখবেন দাদা-ভাইকে। আমাদের একসঙ্গে আনার জন্য হয়তো এই ছবিরই অপেক্ষা ছিল। দুটোই অসামান্য চরিত্র।’


No comments:
Post a Comment