নাবালকদের হুনুমান সাজিয়ে তৃণমূল প্রার্থীর প্রচার মিছিলে ঘোরানো হল। সঙ্গে হরিনামের ভজন। খাওয়ানো সবুজ ও সাদা নকুলদানা। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছে শিল্পশহর দুর্গাপুরে সরগরম রাজনৈতিক মহল। তৃণমূলের এই প্রচার মিছিলকে ঘটনায় কটাক্ষ করেছে বামেরা। প্রতিবাদে সরব গেরুয়া শিবির।
কয়েকদিন পরই দেশের ১৭তম লোকসভা নির্বাচন। লড়াইয়ের ময়দানে যুযুধন ডান,বাম, গেরুয়া সব শিবির। শিল্পাঞ্চলজুড়ে জোর কদমে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির। বৃহঃস্পতিবার দুর্গাপুর ১৫ নং ওয়ার্ড বেনাচিতির তৃণমূল প্রচার মিছিল বের করে। মিছিলে দলীয় প্রার্থী মমতাজ সঙ্ঘমিতা ছিলেন। এদিন মিছিল আকর্ষনীয় করে তুলতে তিন নাবালককে হুনুমান সাজিয়ে রাখা হয়। সঙ্গে হরিনাম ভজন চলছিল। তার সঙ্গে বিলি করা হয় সবুজ রঙ্গের নকুলদানা। ওই নকুলদানা সম্প্রতি তৃণমূলের বীরভুম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের গলায় শোনায় যায়। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। তৃণমূলের এই মিছিলকে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করেছে বামেরা।
স্থানীয় সিপিএম নেতা পঙ্কজ রায় সরকার বলেন," বাঁদর সাজার প্রতিযোগিতা চলছে। আর আমরা উন্নততর মানুষ তৈরীর করার পথে নেমেছি।" তিনি আরও বলেন," তৃণমূলের প্রচার মিছিলে হরিনাম হয়েছে, নকুলদানা বিলিও হয়েছে। এখন দেখার খই ছড়ানো হয়েছে কি না। কারন তৃণমূলের অন্তিমযাত্রা শুরু হয়ে গেছে।" আবার বিজেপির পশ্চিম বর্ধমান জেলার সভাপতি লক্ষন ঘড়ুই বলেন," নাবালকদের যেভাবে প্রখর রোদে রাজনৈতিক মিছিলে ঘোরানো হল, সেটা সম্পুর্ন আইন বিরুদ্ধ। এবং নকুলদানা খাইয়ে তৃণমূল ভোটারদের প্রভাবিত করেছে। বিষয়টি আমরা নির্বাচন কমিশনে বিধিভঙ্গের অভিযোগ জানাচ্ছি।" যদিও তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলার কার্যকরী সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায় জানান," বিজেপির বিদায়ঘন্টা বেজে গেছে। তাই নকুলদানা বিলি করে শুরু করা হল। আগামী ২৩ মে কদমা বিলি করে শেষ করা হবে।"

No comments:
Post a Comment