সইফ আলি খান ও করিনা কাপুর খান তাঁদের ছেলে তৈমুরকে নিয়ে
খুবই স্পর্শকাতর। দু’জনে
শুটিং সামলে পালা করে ছেলের দেখাশোনা করেন। তাই কোনও ব্যাপারে তৈমুরের
যদি একটুও অসুবিধা হয় বা তৈমুর যদি কোনও রকম অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে তবে খুবই বিচলিত
হয়ে পড়েন সইফ ও করিনা। সম্প্রতি তেমনই একটি
ঘটনায় বেশ রেগেই গেলেন সইফ।
আসলে তৈমুর এই মুহূর্তে বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত তারকাসন্তান। তৈমুরের
আজ পর্যন্ত যত ছবি উঠেছে,
সেটা সম্ভবত সব তারকাসন্তানদের ছবির সর্বমোট সংখ্যার অর্ধেক। মিসমালিনী
ডট কম-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সইফ নিজেই একবার বলেছিলেন যে
তৈমুরের একটি ছবিতে একজন ফোটোগ্রাফার গড়ে ১৫০০ টাকা আয় করেন। তৈমুরকে
নিয়ে মাঝমধ্যেই শুটিংয়ে চলে যান করিনা বা অনেক সময় তাকে নিয়ে কাছেপিঠে ঘুরতে যান সইফ। যেখানেই
তাঁরা যান,
পিছু পিছু ধেয়ে আসেন ফোটোগ্রাফাররা।
অনেক সময়েই সেটা সইফ ও করিনার বিরক্তির কারণ হয় ওঠে। কিন্তু
এবার সেই বিরক্তি এতটাই বাড়ল যে সইফ বেশ কড়া একটা মন্তব্য করে বসলেন। বিষয়টা
হয়েছিল এমন,
সম্প্রতি সপরিবারে তাঁদের দেখা গিয়েছে মুম্বই এয়ারপোর্টে, সম্ভবত ছোটখাটো একটা ফ্য়ামিলি ট্য়ুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন তাঁরা। এয়ারপোর্টে
পৌঁছতেই ফোটোগ্রাফাররা তৎপর হয়ে উঠলেন। তৈমুর তার বাবার কোলে, কখনও
তার কাঁধে চড়ে দিব্য় চলেছে বেড়াতে।
ফোটোগ্রাফাররা যথেচ্ছ ছবি তুলতে আরম্ভ করলেন। চকিতে
ফ্ল্যাশের পর ফ্ল্য়াশ। সাধারণত এই নিয়ে খুব
একটা বিচলিত হন না সইফ কিন্তু ওইদিন বেশ রেগে গেলেন। কিন্তু রাগলেও
ভদ্রতা বজায় রাখলেন তিনি। শুধু বলে উঠলেন, ”অব
বস করো, বাচ্চা অন্ধা হো যায়েগা (এবার থামো, বাচ্চাটা তো অন্ধ হয়ে যাবে)!” সইফের মুখে হঠাৎ এই কথা শুনে বেশ থতমতই খেয়েছেন
কয়েকজন ফোটোগ্রাফার। আইএএনএস সংবাদসংস্থার
তরফ থেকে এই প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে যে সইফ নাকি করিনার সঙ্গে পোজ দিতেও রাজি হননি। সইফ
নাকি এমনও বলেছেন,
”আপকো লেনা হ্যয় তো লো, ইয়ে পোজ করনা থোড়া অজীব
হ্যয়।”
তবে মিসমালিনী ডট কম-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তৈমুর কিন্তু ফোটোসেশনটা বেশ
উপভোগই করেছে। এমনকী ফোটোগ্রাফারদের
দিকে হাত নাড়তেও দেখা গিয়েছে।

No comments:
Post a Comment