‘সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে’বহু বছর আগে থেকে সমাজে এমন কথা
প্রচলিত। হ্যাঁ, বাস্তবেও
কিন্তু বিষয়টি অনেকটা সঠিক। তবে নানা কারণে নানা
ভাবে সমাজে স্ত্রীকে তার স্বামী পরীক্ষা করেন। আবার স্বামী সাহেবকেও
পরীক্ষায় ফেলেন স্ত্রী।
তবে আজকের আলোচনা স্ত্রী সংসারমুখী কিনা সে বিষয়টি। চলুন
জেনে নেয়া যাক,
আপনার স্ত্রী সংসারি কি না তা কীভাবে বের করবেন। কিছু
আচারণ তো থাকেই যা দেখলে সহজেই আপনি তা বুঝে নিতে পারেবেন আপানার জীবন সঙ্গিনী ঠিক
ঠিক সংসারমুখী।
স্বামীর জীবনকে সুখসমৃদ্ধিতে ভরিয়ে তোলার ক্ষেত্রে একজন স্ত্রীর
ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্ত্রীর মধ্যে যদি বিশেষ
চারটি গুণ থাকে,
তাহলে তার স্বামীরা ভাগ্যবান বলে মনে করে নিতেই পারেন।
স্বামীর নির্দেশ পালন
যে স্ত্রী তার স্বামীর প্রতিটি কথা মেনে চলেন, সেই
স্বামীকে সৌভাগ্যবান মনে করা উচিত। স্ত্রীর কর্তব্য, স্বামীর
প্রতিটি আদেশ পালন করে চলা।
নতুন পরিবারকে নিজের পরিবার মনে করা
যে স্ত্রী বিবাহের পরে স্বামীর পরিবারকে নিজের পরিবার বলে
মনে করেন,
স্বামীর পরিবারের সমম্ত রীতিনীতিকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করে চলেন,
তিনিই গুণবতী স্ত্রী। তার স্বামী সত্যিই ভাগ্যবান।
সদালাপি
যে পত্নী মিষ্টি ভাষায় কথা বলেন, তিনি
বিশেষ গুণের অধিকারিণী। তার স্বামীও বিশেষ সৌভাগ্যবান।
গৃহকর্মনিপুণা
বধূ ঘরের কাজকর্মে অত্যন্ত দক্ষ হাতে সামলাতে পারেন। সেই
ঘরে সর্বদা সুখ বিরাজ করে। সেই স্ত্রী সমাজ-সংসারে
বিশেষ সম্মান লাভ করেন এবং তার স্বামীর জীবনও সুখে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

No comments:
Post a Comment